ঢাবির অনার্স, মাস্টার্সের ফাইনাল পরীক্ষা ২৬ ডিসেম্বর শুরু

বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়

সেশনজট এড়াতে আগামী ২৬ ডিসেম্বর থেকে অনার্স শেষ বর্ষ এবং মাস্টার্সের ফাইনাল পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। তবে চলমান মহামারি বিবেচনায় পরীক্ষার সময়কাল বিদ্যমান নির্ধারিত সময়ের অর্ধেক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাবি প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

ঢাবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগ/ইনস্টিটিউট নিজ নিজ শিক্ষার্থীদের সাথে যোগাযোগ ও উপস্থিতি নিশ্চিত করে বিভিন্ন পরীক্ষা নেবে।

বিদ্যমান পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের আবাসিক সুবিধা দেয়া সম্ভব না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের ইনকোর্স/মিডটার্ম/টিউটোরিয়াল পরীক্ষা অনলাইনে অ্যাসাইনমেন্ট/মৌখিক/টেকহোম পদ্ধতিতে নেয়া হবে। শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বিভাগ/ইনস্টিটিউট থেকে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার সময়সূচি জানতে পারবে।

এছাড়া, শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে প্রয়োজনে পরীক্ষাগুলো তুলনামূলক কম বিরতিতে বা একই দিনে দুটি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।

ভর্তি পরীক্ষা

দেশে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে এবার শিক্ষার্থীদের ঢাকায় জড়ো না করে অনার্স প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা বিভাগীয় পর্যায়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে ঢাবি কর্তৃপক্ষের।

তারা বিকেন্দ্রীকরণ এবং মোট নম্বর অর্ধেক কমিয়ে ১০০ নম্বরে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা নেবে। যার ফলে আগে শুধু ঢাকায় ভর্তি পরীক্ষা হলেও এবার বিভাগজুড়ে তা অনুষ্ঠিত হবে।

আসন্ন ভর্তি পরীক্ষায় কিছুটা পরিবর্তনও এনেছে কর্তৃপক্ষ। প্রতি বছর পাঁচটি ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হলেও এবার তা হবে বিজ্ঞান, মানবিক এবং ব্যবসায় প্রশাসনে।

গত ২০ অক্টোবর উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে ডিনস কমিটির এক বৈঠকে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতি প্রত্যাখ্যান করে এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

ঢাবির উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক এএসএম মাকসুদ কামাল বলেন, “আমরা অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা না নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কোভিড-১৯ বিবেচনা করে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আমরা প্রাথমিকভাবে বিভাগভিত্তিক পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” পরে ৮ নভেম্বর ডিনস কমিটির আরেক সভায় ভর্তি পরীক্ষায় ‘ঘ’ ও ‘চ’ ইউনিট না রাখার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়। ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে উল্লেখ করে উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘এখন থেকে ‘ঘ’ এবং ‘চ’ ইউনিটের জন্য কোনো পরীক্ষা নেয়া হবে না। আমরা অনার্স ভর্তি পরীক্ষার সংখ্যা ও ভর্তি প্রার্থীদের চাপ কমাতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

সম্পূর্ণ সংবাদ টি পড়ুন

সূত্রঃ ঢাকা ট্রিবিউন

Source Link

1 Comment

  1. vreyrolinomit
    January 12, 2021 - 5:11 am

    I really appreciate your work, Great post.

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *