latest

বঙ্গবন্ধুকে মাইরা ফেলাইছে ‘বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র’: শেখ সেলিম


সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) প্রতি ইঙ্গিত করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেছেন, “স্বাধীনতাবিরোধী আর ‘এরা’ মিলিয়া বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করল, মনি ভাইকে হত্যা করল, চার নেতাকে হত্যা করল। কিন্তু তাদের বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র বঙ্গবন্ধু মারা যাওয়ার পর শেষ হইয়া গেছে। এখন তাদের বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কোথায়? বঙ্গবন্ধুকে মাইরা ফেলাইছে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র।”

শুক্রবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, লেখক-সাংবাদিক, যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ শেখ ফজলুল হক মনি’র ৮১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ভার্চুয়ালি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। শেখ সেলিম নিজের বনানীর বাসভবন থেকে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন।

‘১৫ আগস্ট যখন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয় তখন কর্নেল তাহের ও তার ডেপুটি হাসানুল হক ইনু রেডিওতে যাইয়া তাদের সমর্থন জানায়। সুতরাং তাদের বিপ্লব বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র, এটা একটা গভীর ষড়যন্ত্র ছিল। বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন করেছিল কিন্তু সুষ্ঠভাবে যাতে পরিচালনা করতে না পারে; আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে, তাদের ইন্ধনে এই সব বিপ্লবীরা বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রে আইছিল। এইসব বিপ্লবীরা বঙ্গবন্ধুকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র করছিল। আর স্বাধীনতাবিরোধী আর এরা মিলিয়া বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করল, মনি ভাইকে হত্যা করল, চার নেতাকে হত্যা করল। কিন্তু তাদের বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র বঙ্গবন্ধু মারা যাওয়ার পর সব শেষ হইয়া গেছে, সুতরাং কথা অনেকে আছে বলতে চাই না। এই রহস্য একদিন উদঘাটন হবে’, বলেন আওয়ামী লীগের এই নেতা।

এসময় বড় ভাই শহীদ শেখ মনির জন্মদিনে বিভিন্ন স্মৃতিচারণ করেন তার ছোট ভাই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। ছাত্রজীবন থেকে শেখ মনির রাজনৈতিক জীবনের নানা ঘটনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

এর আগে, যুবলীগের পক্ষ থেকে শহীদ শেখ মনির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ধানমন্ডিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে এবং সকাল ১০টায় বনানী কবরস্থানে শহীদ শেখ ফজলুল হক মনিসহ সকল শহীদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল, অসহায় দুঃস্থদের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ ও সাধারণ মানুষের মাঝে মাস্ক বিতরণ করা হয়।

বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ভার্চুয়াল আলোচনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ, প্রধান আলোচক হিসবে সভাপতিমন্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বক্তব্য রাখেন। সভাপতিত্ব করেন যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সঞ্চালনা করেন-সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

এছাড়াও এমিরেটাস প্রফেসর ড. রফিকুল ইসলামের কথা নিয়ে ভিডিও চিত্র প্রদর্শিত করা হয়। তিনি তার ছাত্র শেখ মনিকে নিয়ে বিভিন্ন স্মৃতিচারণ করেন।

সারাবাংলা/এনআর/এমও





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *