পরিস্থিতি অনুযায়ী ৩০ বলে ৩০ রানে খারাপ কিছু দেখি না : তামিম


পরিস্থিতি অনুযায়ী ৩০ বলে ৩০ রানে খারাপ কিছু দেখি না : তামিম

যত বয়স বাড়ছে, ততই অভিজ্ঞ হচ্ছেন তামিম ইকবাল। অভিজ্ঞতার সাথে বদলে যাচ্ছে তার ব্যাটিংয়ের কৌশল। অভিযোগ আছে, বর্তমান সময়ে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের সাথে ঠিক মানানসই হচ্ছে না তার ব্যাটিংয়ের ধরণ। অভিযোগের চাক্ষুষ সত্যতা মিলেছে চলমান বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে। ধীরগতির ব্যাটিংয়ে দল হারলেও নিজের ব্যাটিংয়ের ধরণে খারাপ কিছু দেখছেন না।

শিশির নিয়ে দুশ্চিন্তায় তামিম

বাংলাদেশ জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চাপানোর পর ‘হার্ড হিটারের’ তকমা কুড়িয়েছিলেন তামিম। তবে সময়ের পরিক্রমায় নিজের খেলায় পরিবর্তন এনেছেন। এতোটাই পরিবর্তন এনেছেন যে, বর্তমান সময়ের ক্রিকেটের সাথে তার খেলার ধরণের পাশে প্রশ্ন চিহ্ন জমা হয়েছে।

Also Read – নিজেই ভুল করলে মোটিভেশনের মূল্য থাকে না : তামিম 

বঙ্গবন্ধু কাপে বরিশালের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তামিম। তবে একেবারেই সুবিধা করতে পারছে না তার দল। এখন পর্যন্ত খেলা ৫ ম্যাচে মোটে ১ জয়। অবস্থান পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে। দল হারলেও ব্যাট হাত রান করছেন তামিম। ১৮৭ রান নিয়ে তৃতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তিনি। কিন্তু নিজের খেলা ইনিংসগুলো বড় করতে পারছেন না। প্রায় প্রতি ইনিংসেই ফিরছেন ৩০ এর আশেপাশে রান করে।

কিছুদিন আগে তামিম নিজেই জানিয়েছিলেন, ‘টি-টোয়েন্টিতে ২০-৩০ রানে আউট হয়ে যাওয়া পাপের মত। কারণ আমরা যথেষ্ট বল খেলতে পারি, উইকেটের আচরণ যাচাই করতে পারি।’ অথচ সেই পাপ কাজটাই নিয়মিত করে চলেছেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

পাঁচ ম্যাচে ১৮৭ রান করলেও তামিম বল খেলেছেন ১৬০টি। যেখানে ডট বলের সংখ্যা চোখ কপালে তোলার মতো। ৭৫টি বলে কোনো রানই নেননি তিনি। প্লাওয়ার-প্লেতে ৮০টি বল খেলেছেন তামিম। এই ৮০ বলের ৩৮টি ডট দিয়েছেন। তবুও পরিস্থিতি বিবেচনায় নিজের ব্যাটিংয়ের ধরণকে খারাপ বলতে নারাজ ড্যাশিং ওপেনার।

আজ (রোববার) অনুশীলন শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তামিম বলেন, ‘কোনোকিছুই যথেষ্ট না- এটাই বলব। এই টুর্নামেন্টে যতটুকু ব্যাটিং করেছি আমার মনে হয় ভালোই ব্যাটিং করেছি। তবে হ্যাঁ, গত তিন ম্যাচে ৩০, ৩০, ৩০ করে আউট হয়ে যাওয়া আমার কাছ থেকে অগ্রহণযোগ্য। বিশেষ করে যে দলে আমি খেলছি যেখানে আমার পারফরম্যান্সের উপর অনেক কিছু নির্ভর করে।’

‘আমি ৩০ করে আউট হয়ে গেলে এটা আসলে একটা অপরাধ। ৩০ রানের ইনিংসগুলোকে যদি আমি ৫০, ৬০, ৭০ করতাম…। অন্তত তিন ইনিংসের একটাও যদি করতাম তাহলে হয়ত ফলাফল অন্যরকম হত। তবে ব্যাটিং নিয়ে যদি বলি, যেভাবে বল স্ট্রাইক করছি, যে ধরনের ব্যাটিং করছি, ইটস ওকে। আমি বলব না এটা দারুণ। তবে খুব খারাপও নয়।’– সাথে যোগ করেন তিনি।

‘আমার সাথে যারা খেলছে তারা কোন স্ট্রাইক রেটে খেলছে এটাও তো খেয়াল রাখতে হবে। ৩০ বলে ৩০ রান করাতে আমি খারাপ কিছু দেখি না, যদি পরিস্থিতি ওরকম থাকে। যখন আমরা ১৫০ রান তাড়া করছি, ঐসময় যদি ৩টা উইকেট পড়ে যায় তখন ২০ বলে ৩০-৪০ রান করা কঠিন। গত ম্যাচে দেখুন, দেড়শ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করছিলাম, আবারো ৩২ রানে আউট হয়ে গেছি। এ সময় বেশি না মেরে আরেকটু সময় নিয়ে খেললে ইনিংস বড় করা যেত।’

‘স্ট্রাইক রেট বলুন, ৩০ রান বলুন- প্রশ্ন সবসময় থাকবে, আপনারা সবসময়ই প্রশ্ন তুলবেন। এতে কোনো অসুবিধাও নেই। দিনশেষে যদি আমি ৪০ বলে ৪০ করাতে দল জিতে, এটা ভালো। আমি ১৫ বলে ৪০ করে দল হারলে এটা ভালো ইনিংস হল না। দিনশেষে কথা হল আমার দলে আমাকে কীভাবে খেলতে হবে। স্ট্রাইক রেটের চেয়েও আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হল যতক্ষণ উইকেটে থাকতে পারি, যত লম্বা ইনিংস খেলতে পারি।’– বলেন তামিম।

বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: