‘সেনা ছাউনিতে যাদের জন্ম, তারা গণতন্ত্রের কথা বললে মানুষ হাসে’


স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘যারা অতীতে গণতন্ত্র হত্যা করেছিল, যাদের জন্ম অগণতান্ত্রিকভাবে সেনা ছাউনিতে, ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে তারা যখন গণতন্ত্রের কথা বলে, তখন গণতন্ত্রমনা মানুষ ও দেশের মানুষ হাসে। আর মির্জা ফখরুল ইসলাম তাদের একজন।

সোমবার (৬ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ ক্লাইমেট জার্নালিস্ট ফোরামের সঙ্গ মতবিনিময় সভায় তিনি এ সব কথা বলেন।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ‘দেশে গণতন্ত্র নির্বাসিত ও দেশকে কারাগার হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন’ এ বিষয়ে মতামত জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। মন্ত্রী আরও বলেন, ‘জিয়াউর রহমান ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়েছে। আর যে সমস্ত রাজনীতিবিদ সে সময় ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট নিতে সমবেত হয়েছিল আমি যথেষ্ট সম্মান রেখে বলছি তাদের মধ্যে একজন হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব। তারা হচ্ছেন দল ছুট, রাজনীতির হাটে বিক্রি হওয়া রাজনীতিবিদ। তারা যখন গণতন্ত্রের কথা বলে তখন মানুষের মুখে হাসি পায়। প্রকৃত পক্ষে বিএনপিতে কোনো গণতন্ত্র নেই। বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হচ্ছেন হত্যা, দুর্নীতি অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত আসামি।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি দলের গঠণতন্ত্র পরিবর্তন করেছে দুর্নীতিবাজরা যাতে তাদের দলের সর্বোচ্চ ফোর থেকে শুরু করে সব জায়গায় যাতে সুযোগ পায়। সে দল যখন এ ধরনের কথা বলে তখন লোকের মুখে হাসি পায়। আর দেশে পরিপূর্ণ বাক স্বাধীনতা ও অবাধ গণতন্ত্রের চর্চা আছে বলেই মির্জা ফখরুল ইসলামরা প্রতিদিন এ ধরনের বিশদগার করতে পারে।‘

ভাসান চরে রোহিঙ্গাদের স্থানন্তর করা আত্মঘাতী হবে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সে বিষয়টি কিভাবে দেখছেন জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানন্তর করা হচ্ছে এতে সমগ্র দেশের মানুষসহ রোহিঙ্গারাও স্বাগত জানিয়েছে। যে সমস্ত রোহিঙ্গা সেখানে গেছে তারা অত্যন্ত খুশি হয়ে বলেছে দেশে ফেরত না জাওয়া পর্যন্ত সেখানেই থাকতে চায়। এখন বিএনপির এই বক্তব্য পড়ে মনে হয় রোহিঙ্গারা ভালো থাকুক সেটা তারা চায় না। কারণ ভাসানচরে যে সুব্যবস্থা আছে সে ব্যবস্থা ইউরোপের শরনার্থী শিবিরেও নেই। আসলে বিএনপি রোহিঙ্গাদের মঙ্গল চায় কি না সেটা নিয়ে সন্দেহ হয়। প্রকৃতপক্ষে রোহিঙ্গা ইস্যুটা টিকে থাকুক সেটা তারা চায়। কারণ বিএনপি সময় সময় এতের নিয়ে কথা বলে। বিএনপির সময় যে রোহিঙ্গারা এদেশে এসেছিল তারা এখনো আছে। তাদের সেদিকে একটু দৃষ্টি দেওয়ার আহবান জানাচ্ছি।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: