latest

লিটন-সৌম্যর পর শামসুরের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহ চট্টগ্রামের


লিটন-সৌম্যর পর শামসুরের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহ চট্টগ্রামের

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের ১৯তম ম্যাচে লিটন কুমার দাস এবং সৌম্য সরকারের ব্যাটিং নৈপুণ্যে মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীকে ১৭৬ রানের টার্গেট ছুড়ে দিলো গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম।

শামসুরের শেষ বলের ছক্কায় চট্টগ্রামের রোমাঞ্চকর জয়

টুর্নামেন্টে নিজেদের শেষ ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন রাজশাহীর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে রাজশাহীর অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে বুড়ো আঙুল দেখান গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের দুই ওপেনার লিটন এবং সৌম্য। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন এই দুই ওপেনার। আগের ম্যাচে লিটন বিশ্রাম দেওয়া হলেও এই ম্যাচেই ফিরেই নিজের ফর্ম ধরে রাখেন তিনি।

Also Read – বাউন্সারের আঘাতে ছিটকে গেলেন পুকোভস্কি

এই দুই ব্যাটসম্যানের ঝড়ো ব্যাটিং দলকে বড় স্কোরের আশা দেখাচ্ছিল। ১৩তম ওভারে আনিসুলের বলে অনসাইডে ঠেলে দিয়ে এক রান নিয়ে টানা দ্বিতীয় ফিফটি তুলে নেন সৌম্য। তারপরের ওভারেই ফিফটি তুলে নেন লিটনও। মুকিদুলের প্রথম বলেই ফাইন লেগে এক রান নিয়ে ফিফটি হাঁকান তিনি। তবে ফিফটি হাঁকানোর পর দ্রুতই সাজঘরে ফিরে যান সৌম্য।

১৫তম ওভারে আনিসুলকে ‘ডাউন দ্য উইকেটে’ এসে মারতে গিয়ে উইকেটকিপার নুরুল হাসানের হাতে সহজ ক্যাচ তুলে দিয়ে আউট হন তিনি। সেই সাথে ভাঙে লিটন-সৌম্যর ১২২ রানের জুটি। সাজঘরে ফেরার আগে ৪৮ বলে ৬৩ রানের ইনিংস খেলেন সৌম্য। তার বিদায়ের পর আউট হন লিটনও।

তার পরের ওভারেই রেজাউরের বলে বোল্ড আউট হন লিটন। ৪৩ বলে পাঁচ চার এবং একটি ছয়ে ৫৫ রান করে সাজঘরে ফিরেন তিনি। এই দুই ওপেনারের বিদায়ের পরেই ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ায় রাজশাহী। লিটনের বিদায়ের পর দ্রুত সাজঘরে ফিরেন দলের অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন (১) এবং মোসাদ্দেক হোসেন (৩)। তবে শেষদিকে দ্রুত রান তুলতে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠেন শামসুর।

১৯তম ওভারে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন শামসুর। ওই ওভারের প্রথম তিন বলে ২৩ রান দেন রেজাউর। অবশ্য পরের তিন বল থেকে মাত্র একটি রান সংগ্রহ করে শামসুর। শেষ পর্যন্ত ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৫ রান সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম। ১৮ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন শামসুর এবং ৭ বলে ১০ রান করে অপরাজিত থাকেন জিয়াউর। রাজশাহীর হয়ে বল হাতে সর্বোচ্চ দুইটি উইকেট লাভ করেন আনিসুল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *