latest

বাগানের সাজু-গুজু!

সবুজের একটু ছোঁয়াতেই মন যেখানে ভাল হয়ে যায়, সেখানে বাড়িতে একটা বাগান করতে পারলে তো কথাই নেই!

বাড়িতে বাগান থাকলে বা সামনে-পেছনে জায়গা থাকলে গাছ-গাছালি দিয়ে সুন্দর করে সাজাতে পারেন। এতে বাড়ির সৌন্দর্য বহুগুণে বাড়বে! আর প্রকৃতির এত কাছে থাকার স্বপ্ন বোধহয় সকলেরই। সবুজের একটু ছোঁয়াতেই মন-মেজাজ যেখানে ভাল হয়ে যায়, সেখানে বাড়িতে বাগান করতে পারলে তো কথাই নেই। তবে বাগান করাটা নেহাতই মুখের কথা নয়। প্রথমত জায়গা চাই, দ্বিতীয়ত গাছপালার চাই আদর, যত্ন ও সাহচর্য। জেনে নিন কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

১. ইচ্ছে মতো পানি, সার, আলো, হাওয়া সরবরাহ করেই কাজ শেষ ভাবলে চলবে না। তাহলে সে বাগান কিন্তু অধরা স্বপ্নই থেকে যাবে।

২. একেকজন মানুষ যেমন, তেমনই বৈচিত্র্যময় একেক রকমের গাছের চরিত্র। কেউ একা ডালপালা প্রসারিত করে থাকতে ভালবাসে, কেউ আবার দলেই সন্তুষ্ট। কারও চাই নিবিড় ছায়া, কারও আবার ভালবাসা রোদের সঙ্গে! কেউ আদরে নুইয়ে পড়ে, তো কেউ সরাসরি তাকায় সূর্যের দিকে। সুতরাং ব্যাপারটা বেশ জটিল অঙ্কের মতো। তাই অনেক হিসেব করে সাজাতে হয় সাধের বাগান!

৩. শুধু বাগান নয়, একইসাথে এর আশপাশের পরিবেশ, বাড়িতে ঢোকার ব্যবস্থাপানাও তো আছে। এই সব মিলিয়েই তো ল্যান্ডস্কেপ আর্কিটেকচার।

৪. ড্রাইভওয়ে কেমন হবে, রাস্তা কতটা এলিভেটেড হবে, কোন ধরনের পাথর বসবে, আলো, ড্রেনেজ, সবই কিন্তু ল্যান্ডস্কেপিংয়ের অন্তর্গত। আর গাছ-গাছালি তো আছেই। তার সঙ্গে বাগান সাজানোর অনুষঙ্গ নেহাত কম নয়।

৫. ফুলের রঙে, গাছপালার সৌরভে মুখরিত তো হবেই, তার সঙ্গে রাখতে পারেন মাটির খুঁড়ি দিয়ে তৈরি মূর্তি কিংবা বাগানের একধারে মইয়ের মধ্যে সাজিয়ে রাখতে পারেন পটেড প্ল্যান্ট।

৬. শুনলে অবাক হবেন কিন্তু জুতো বা ব্যাগে মাটি ভরে তারমধ্যে গাছ সাজিয়ে রাখতে পারেন বাগানের কর্নারে। আর জায়গা থাকলে করতে পারেন ছোটখাটো ওয়াটারবডিও।

৭. বাড়িতে ঢোকার মুখে করতে পারেন এলিভেটেড স্টেপস। তার দু’পাশে ভরতি করে সাজিয়ে দিন নানা রঙের ফুল।

৮. বাগানে বাঁশের বেড়া না দিয়ে করতে পারেন বক্সহেজ। গাছপালা দিয়ে তৈরি করতে পারেন প্রাকৃতিক ব্যারিয়ার।

৯. মেন্টেন করতে পারলে বাড়ির দেওয়ালে রাখতে পারেন লতানে গাছ।

১০. জানলার বক্সে সাজাতে পারেন বাড়ির রঙের সঙ্গে মিলিয়ে ফুলের গাছ এবং আরও কত কী!

১১. আর বাগান করার মতো কোর্টইয়ার্ড না থাকলেও চিন্তা নেই। আক্ষেপ করবেন না। ছাদেও করতে পারেন নিজের বাগান। সঙ্গে একটা ছোট বার-বি-কিউ কর্নার বা গাজ়িবোর সঙ্গে সিটিং অ্যারেঞ্জমেন্ট।

১২. আবার ছাদে কিডস প্লে কর্নারও হতে পারে ল্যান্ডস্কেপিংয়ের গুণে!

সম্পূর্ণ সংবাদ টি পড়ুন

সূত্রঃ ঢাকা ট্রিবিউন

Source Link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: