লজ্জা, ঘৃণায় নিজ দেশের দর্শকদের একহাত নিলেন ল্যাঙ্গার


লজ্জা, ঘৃণায় নিজ দেশের দর্শকদের একহাত নিলেন ল্যাঙ্গার

তিনি যে দলের গুরু, সেই দলকেই সমর্থন জানাতে মাঠে এসেছিলেন ঐ দর্শকেরা। কিন্তু তাদের কাণ্ডে বিব্রত খোদ জাস্টিন ল্যাঙ্গারও। অস্ট্রেলীয় দর্শকদের প্রতি তীব্র ক্ষোভ, অসন্তোষ ও ঘৃণা প্রকাশ করেছেন অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলের কোচ ও সাবেক ক্রিকেটার। 

লজ্জা, ঘৃণায় নিজ দেশের দর্শকদের একহাত নিলেন ল্যাঙ্গার

চলমান অস্ট্রেলিয়া-ভারত সিডনি টেস্টে দফায় দফায় ঘটেছে বর্ণবাদের ঘটনা। করোনার মাঝেও স্বাস্থ্যবিধির উপর কড়াকড়ি রেখে মাঠে দর্শকদের প্রবেশাধিকার দিয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। সেই সুযোগে গ্যালারিতে বসে ভারতীয় ক্রিকেটারদের যাচ্ছেতাইভাবে উত্যক্ত করে চলেছেন অজি দর্শকরা।

Also Read – ক্ষমা চাইল অস্ট্রেলিয়া, আইসিসির নিন্দা

কখনো মোহাম্মদ সিরাজ, কখনো জাসপ্রিত বুমরাহ, কখনো বা অন্য কোনো ক্রিকেটার। বাউন্ডারি লাইনে ভারতের যাকেই পাচ্ছেন তাকেই ছাড় দিচ্ছেন না স্বাগতিক দর্শকরা। সিরাজের মত স্বল্পভাষী ক্রিকেটারকে বানর বলে ৬ দর্শক মাঠছাড়াও হয়েছেন। যত সময় গড়াচ্ছে, মাঠের লড়াই ছাড়িয়ে বড় ইস্যু হয়ে উঠছে সিডনি টেস্টের বর্ণবাদী আচরণ।

ল্যাঙ্গার তাই অস্ট্রেলীয় হয়েও যেন লজ্জিত, বিব্রত। নিজ দেশের সমর্থক-দর্শকদের উপর ঘৃণা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘দুঃখিত, এটা অত্যন্ত হতাশাজনক ও লজ্জার। আমি বরাবর একটা বিষয়কে ঘৃণা করি যে, লোকে ভাবে তারা পয়সা খরচ করে ক্রিকেট বা অন্য যে কোনও খেলা দেখতে এসেছে মানে, যাকে খুশি হেনস্থা করতে পারে।’

স্বাগতিক দলের অংশ বলেই নন, ল্যাঙ্গার একজন সাবেক ক্রিকেটার ও বর্তমান কোচ হিসেবেও বর্ণবাদের বিরোধী। নিজ দেশে বর্ণবাদ দেখতে পেয়ে যেন মুখ লুকানোর উপক্রম। ল্যাঙ্গার বলেন, ‘আমি একজন খেলোয়াড় হিসেবে এটাকে ঘৃণা করি। আমি একজন কোচ হিসেবে এটাকে ঘৃণা করি। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে এটা দেখা যাচ্ছে। অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে, অস্ট্রেলিয়াতেও এটা চোখে পড়ছে।’

বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *