নিজস্ব ‘ব্র্যান্ড অব ক্রিকেট’ তৈরি করতে চান অধিনায়ক তামিম


নিজস্ব ‘ব্র্যান্ড অব ক্রিকেট’ তৈরি করতে চান অধিনায়ক তামিম

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পালন করতে চলেছেন বাংলাদেশ দলের ওপেনার তামিম ইকবাল। আর তাই অধিনায়ক তামিম অন্য কাউকে অনুসরণ না করে নিজস্ব ব্র্যান্ড অব ক্রিকেট তৈরি করতে চান তিনি।

শিশির নিয়ে দুশ্চিন্তায় তামিম

গত বছর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ দিয়ে অধিনায়কত্বের অবসান ঘটেছে মাশরাফির। তার পরিবর্তে সাকিবকে আগামী বিশ্বকাপের জন্য অধিনায়ক ভাবা হলেও সে সময় নিষেধাজ্ঞায় থাকায় বিকল্প পথ অনুসরণ করতে হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি)। যে কারণে ২০২৩ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে পূর্ণাঙ্গ মেয়াদে তামিমের কাঁধে নেতৃত্ব তুলে দেয় বিসিবি।

Also Read – সৌম্য ছাড়াও ‘৭’ এ বিবেচনায় আছেন মিঠুন, আফিফ

তামিমকে কাঁধে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব তুলে দেওয়ার পর অনেকেই সেটি মেনে নিতে পারেননি। তবে তামিম কী পারবেন ব্যাটিংয়ের চাপ সামলে অধিনায়কত্বের চাপটাও সামলাতে? আপাতত তামিমের ভাবনায় বাংলাদেশ ক্রিকেটে নিজস্ব ব্র্যান্ড অব ক্রিকেট গড়ে তোলার। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডের আগে ভার্চুয়াল প্রেসে এসব জানান তিনি।

“আমি সবসময় বাংলাদেশি স্টাইল অব ক্রিকেট, বাংলাদেশি ব্র্যান্ড অব ক্রিকেট গড়ে তোলার দিকে গুরুত্ব দেই। প্রত্যেকটা দেশের নিজস্ব স্টাইল আছে। আমি মনে করি না আমাদের অন্য কাউকে অনুসরণ করা উচিৎ। অনেক জায়গায় বলেছে হয়ত আমরা ওয়েস্ট ইন্ডিজের মত শক্তিশালী না, ওদের মত বিল্ডআপ না। আমাদের এমন অনেক এডভান্টেজ আছে যা অন্যদের দলে নেই। তাই কাউকে অনুসরণ না করে বাংলাদেশি ব্র্যান্ড অব ক্রিকেট তৈরি করতে চাই। আমরা যেগুলো খেলতে পারি তা দিয়েই।”

জাতীয় দলে এর আগেও অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পালন করেছেন তামিম। তবে সেটি খণ্ডকালীন। পূর্ণাঙ্গ মেয়াদে দায়িত্ব পাওয়ার আগে বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ এবং টি-টোয়েন্টি কাপে নেতৃত্ব দিয়েছেন তামিম। তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গন ভিন্ন। মাঠে আগ্রাসী নাকি রক্ষণাত্মক অধিনায়ক হবেন সেটি পরিস্থিতির উপর নির্ভর করছে বললেন তামিম।

“এটা একটা ভালো দিকই বলতে পারেন যে জাতীয় দলে শুরুর আগে দুইটা টুর্নামেন্টে অধিনায়কত্ব করতে পেরেছি। দুর্ভাগ্যবশত মহামারির কারণে আমরা অনেক ক্রিকেট হাতছাড়া করেছি। দুই টুর্নামেন্টই আমার জন্য কঠিন ছিল। স্টাইল বা ব্র্যান্ড সময়ের সাথে সাথে গড়ে উঠবে। আমি যদি এখন একটা কথা বলি আর পরিস্থিতি ভিন্ন থাকে, তাহলে সেটা অনুসরণ না করলে তো আর হল না। সময়ের সাথে সাথে বুঝতে পারব কোন পথে এগোচ্ছি। তাই পরিস্থিতি বুঝতে হবে। কখনো রক্ষণাত্মক হতে হয়, কখনো আক্রমণাত্মক হতে হয়।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *