রাজধানীতে সহিংসতা ও চরমপন্থা প্রতিরোধে ইসলামিক বিজ্ঞজনদের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত


রাজধানীতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ও ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম বিভাগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় সহিংসতা ও চরমপন্থা প্রতিরোধে ইসলামিক বিজ্ঞজনদের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার।

আজ মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি, ২০২১) আগারগাঁও, শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত ইসলামিক ফাউন্ডেশন অডিটোরিয়ামের ৬ষ্ঠ তলায় এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

এ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো: ফরিদুল হক খান, এমপি, বিশেষ অতিথি হিসেবে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ নুরুল ইসলাম, পিএইচডি, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ আলতাফ হোসেন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। সেমিনারে মূল বক্তা হিসেবে অংশ্রগ্রহণ করেন মোঃ মনিরুল ইসলাম বিপিএম (বার), পিপিএম (বার), অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি (সিটিটিসি)। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আনিস মাহমুদ। উক্ত সেমিনারে অংশগ্রহণকারী হিসেবে উপস্থিত ছিলন ইসলামিক বিজ্ঞজন আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখ, মসজিদের খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও মাদ্রাসার শিক্ষক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসলামিক বিজ্ঞজনদের উদ্দেশ্য ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনারা দেশ ও জাতির বৃহত্তম স্বার্থে ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে সাহায্য করে যাচ্ছেন। যেকোন বিষয় আপনারা যেভাবে বুঝাতে পারবেন, অন্য কেউ আপনাদের মত করে বুঝাতে পারবে না। সবাই আপনাদের শ্রদ্ধা করে।

তিনি বলেন, ইসলাম ধর্মে সন্ত্রাসবাদের কোন জায়গা নেই। জুম্মার নামাজের খুতবার সময় মসজিদের ইমামদের সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ধর্মপ্রান মুসলমানদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ নুরুল ইসলাম বলেন, আজকের সেমিনার অনেক সময়োপযোগী একটি সিন্ধান্ত। যেকোন প্রয়োজনে সবাই আপনাদের কাছে ছুটে আসে। আপনাদের সাথে গ্রামীণ মানুষের একট নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। তারা আপনাদের কাছে সৎ পরামর্শ চায়। আমাদের যুব ও তরুন সমাজকে যাতে কেউ বিভ্রান্ত করতে না পারে তার জন্য আপনাদের এগিয়ে আসতে হবে। তাদের প্রকৃত নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে।

মূল বক্তা হিসেবে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোঃ মনিরুল ইসলাম বিপিএম (বার), পিপিএম (বার) বলেন, শুধু আইন-শৃঙ্খলা প্রয়োগ করে জঙ্গিবাদ দমন করা যাবে না। হার্ড অ্যাপ্রোচ এর পাশাপাশি সফট অ্যাপ্রোচও প্রয়োগ করতে হবে। সমাজে এই সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি করতে হবে যারই অংশ হিসেবে আজকের এই সেমিনার। জঙ্গিবাদ দমনে আলেম, ওলামা, ইমামদের কার্যকর ভূমিকা রয়েছে। জাতিকে বিভ্রান্ত না করে সঠিক পথ দেখানোর মূখ্য দায়িত্ব আপনাদের পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, সমাজের কতিপয় দুস্কৃতিকারী লোক নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে, ধর্মকে ব্যবহার করে এই জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাকে চালিয়ে রাখতে চায়। কিন্তু তাদের এই কর্মকান্ডের ফলে মূল ক্ষতি হচ্ছে ইসলাম ধর্মের। যার মধে্য ইসলাম ধর্মের প্রকৃত শিক্ষা রয়েছে সে কখনো জঙ্গিবাদের মত নিকৃষ্ট কাজে জড়াতে পারে না।

 

 

 

 

 

 

 

 

 





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *