চট্রগ্রামে নির্বাচনের নামে চূড়ান্ত তামাশা হচ্ছে: রিজভী


স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: বিএনপির সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, চট্রগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন (চসিক) শুরুর দুই ঘণ্টার মধ্যেই সবগুলো কেন্দ্র থেকে বিএনপি প্রার্থীদের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। একটা নজীরবিহীন নির্বাচন হচ্ছে। যেখানে দিনের ভোট রাতে হয়ে যায় এবং যে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর এজেন্টরা নির্বাচনের আগের রাতেই গ্রেফতার হয়ে যায়।

বুধবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে চট্রগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কারচুপি, অনিয়ম ও সহিংসার বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে লিখিত অভিযোগ শেষে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী এসব কথা বলেন।

এ সময় বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মীর শরাফত আলী শফু উপস্থিত ছিলেন।

রিজভী আরও বলেন, নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রে গিয়ে বসতে পারছেন না। আবার কেউ কেউ কেন্দ্রে ঢুকতে পারলেও সেখান থেকে তাদের বের করে দেওয়া হচ্ছে। ভোটাররা কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারছেন না। ফলে বর্তমানে চট্রগ্রামে নির্বাচনের নামে চূড়ান্ত পর্যায়ে তামাশা হচ্ছে।

রহুল কবীর রিজভী বলেন, চসিক নির্বাচনে সকাল থেকেই সহিৎসতা শুরু হয়ে গেছে। ইতোমধ্যে দুজন মারা গেছেন এবং অর্ধশতাধিক নেকাকর্মী আহত হয়েছেন। ভোটাররা যাতে ভোটকেন্দ্রে যেতে না পারেন সেজন্য তাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। বিএনপির প্রার্থীরা পুলিশের কাছে অভিযোগ দেওয়া হলেও তা আমলে নেওয়া হচ্ছে না। বরং পুলিশ বলছে আমরা কিছু করার নেই। পুলিশ নিজেদের অসহায়ত্ব প্রকাশ করছেন।

তিনি বলেন, আসলে এই নির্বাচন চূড়ান্ত তামাশা ও প্রহসনের নির্বাচন ছাড়া কিছুই নেই। বর্তমান সরকার যতদিন ক্ষমতায় থাকবে ততদিন সুষ্ঠু নির্বাচন নামক শব্দটি মানুষের কাছে অচেনা হয়ে যাবে। এরা ভোটারদের ভোটাধিকার মনে প্রাণে ঘৃণা করে। এরা বিরোধীদল ভিন্নমত, সমালোচনা ও গণতন্ত্রের ঘোরতর শত্রু।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, এই সিইসি গণতন্ত্রের হত্যাকারী। বর্তমানে নির্বাচনের নামে চূড়ান্ত পর্যায়ে তামাশা হচ্ছে। ভোটাররা যেন কেন্দ্রে যেতে না পারে সেজন্য সব ধরনের মেকানিজম করা হয়েছে। প্রশাসন ও দলীয় কর্মী মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে।

সারাবাংলা/জিএস/এমআই





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *