ভারতকে ‘শেষ হুঁশিয়ারি’ পাকিস্তানের


ভারতকে ‘শেষ হুঁশিয়ারি’ পাকিস্তানের

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার রাজনৈতিক বৈরি সম্পর্ক বৈশ্বিক ক্রিকেটেও প্রভাব ফেলেছে। এবার আবার নতুন ঝামেলা হলো আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এই বিশ্বকাপকে সামনে রেখে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা দেওয়া নিয়ে ভারতকে লিখিত অঙ্গীকার দিতে বলেছিল পাকিস্তান। কিন্তু ভারত এখনো তা না দেওয়ায় শেষবারের মতো স্মরণ করিয়ে দিয়ে হুঁশিয়ারি দিলো পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

বাংলাদেশ নিয়ে মানির বক্তব্য, খোঁচা দিল বিসিসিআই

দুই প্রতিবেশি দেশ ও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দল ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সিরিজ দেখার সুযোগ ক্রিকেট ভক্তদের হয় না প্রায় বছর সাতেক। এই সময়ে কেবল আইসিসি ও এসিসির আসরগুলোতেই মুখোমুখি হয়েছে ভারত ও পাকিস্তান। ২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে দুই দলের সীমান্তে পারস্পারিক হামলা হয়েছিল এবং সেই থেকে ভারতীয়রা ক্ষেপে গিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করার দাবি তুলেছিল। সেই বিশ্বকাপ হয়েছিল ইংল্যান্ডে। এবার স্বয়ং ভারতের মাটিতেই বিশ্বকাপ, তাই পিসিবি চিন্তায় আছে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিয়ে।

Also Read – নিলামের সময় ‘বমি’ পাচ্ছিল রিচার্ডসনের

খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তায় থাকা পিসিবি আইসিসির কাছে দাবি করেছিল ২০২০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে যেন ভারত থেকে পাকিস্তানের ক্রিকেটার, সমর্থক, বোর্ড কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের ভিসা ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা এনে দেওয়া হয়। কিন্তু ফেব্রুয়ারি মাস শেষ হতে চললেও এখনো সেই কথা রাখেনি বিসিসিআই। তাই এই ব্যাপারে আবার মুখ খুললেন পিসিবি সভাপতি এহসান মানি।

ভারতকে আবার নতুন করে আলটিমেটাম দিয়েছে পিসিবি। এবার তারা বলেছেন আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে এই অঙ্গীকারের নিশ্চয়তা দিতে। ভারত যদি এবারও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা করতে ব্যর্থ হয় তাহলে অন্য কোনো দেশ বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিশ্বকাপ নিয়ে যাওয়ার আবেদন করবে পিসিবি।

পিসিবি সভাপতি মানি বলেন, ‘আমরা আইসিসিকে বলেছিলাম ভারতের কাছে থেকে নিরাপত্তা ও ভিসা নিয়ে অঙ্গীকারনামা এনে দিতে। ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সেটা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখনো দেওয়া হয়নি। আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে যদি ভারত এই নিশ্চয়তা না দেয় তাহলে পিসিবি আইসিসির কাছে আবেদন করবে বিশ্বকাপ সরিয়ে অন্য কোনো দেশে নিয়ে যেতে, সেটা হতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।’

এই সময়ে মানি আরও অভিযোগ করেন বিসিসিআই অর্থের বিনিময়ে অন্যান্য বোর্ডগুলোকে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে চলে আসে এবং আইসিসির কথাও তারা অমান্য করার করার সাহস পায় অর্থের জোরেই।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *