পুলিশি বাধায় শেষ হলো প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: নাগরিক সমাবেশের আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অভিমুখে শুরু হওয়া পদযাত্রা পুলিশি বাধায় শেষ হয়ে গেছে।

বুধবার (৩ মার্চ) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে নাগরিক সমাবেশ শেষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে এ পদযাত্রা শুরু হয়।

কারাগারে লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদ ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে শুরু হয়েছিল পদযাত্রাটির। কিন্তু প্রেস ক্লাব থেকে মৎসভবন হয়ে শাহবাগ মোড় অতিক্রম করে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে পৌঁছালে সেখানে রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে পদযাত্রাটি আটকে দেয় পুলিশ।

পুলিশি বাধায় শেষ হলো প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা

পদযাত্রায় অংশ নেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, সাংস্কৃতিক সংগঠন সমগীতের সংগঠক বিথী ঘোষ, ডিজিটাল নিরাপত্তা নিরাপত্তা আইনে কারাবন্দি হয়ে জামিনে মুক্ত রাষ্ট্রচিন্তার সদস্য দিদারুল আলম ভূঁইয়া, ছাত্র অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রাশেদ খান, যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসান, ভাসানী অনুসারী পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বাবলুসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা।

পুলিশি বাধার মুখে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী পুলিশের উদ্দেশে বলেন, আমরা কেউ বিশৃঙ্খলা চাই না। তাই আমরা কেউ হাতে কোনো পাথর নিয়ে আসিনি। আমরা সবাই শৃঙ্খলা চাই। তাই আমাদের সবাকে যেতে না দিলেও অন্তত দু’চার জনকে যেতে দিন। আমরা গিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে গিয়ে জানাতে চাই জনগণের দাবি দাওয়ার বিষয়গুলো।

পুলিশ ডা. জাফরুল্লাহ’র আহ্বানে সাড়া না দিয়ে রাস্তা আটকে রাখলে আগামী ২৬ মার্চের মধ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল না করলে পরবর্তী কমর্সূচিতে পুলিশের সব ব্যারিকেড ভেঙে ফেলার হুঁশিয়ারি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা কর্মসূচি শেষ ঘোষণা করেন জুনায়েদ সাকী। এরপর সেখান থেকে সবাই চলে যান।

পুলিশি বাধায় শেষ হলো প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা

পরে পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) সাজ্জাদুর রহমান বলেন, আমরা তাদের কোথাও বাধা দিইনি। আমরা এখানে ব্যারিকেড দিয়েছি। কারণ এটি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গা। আমরা তাদের বুঝিয়েছি। তারা সেটা মেনে নিয়ে তাদের বক্তব্য দিয়ে এখান থেকে চলে গেছেন।

এ সময় তিনি আরও বলেন, তারা প্রেস ক্লাব থেকে যাত্রা শুরু করেছেন। বিভিন্ন পয়েন্টে আমাদের পুলিশ থাকা সত্ত্বেও আমরা তাদের সামনে কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি করিনি। এখানে করেছি। কারণ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের একটা সীমারেখা থাকে, যা আমরা তাদের বুঝিয়েছি।

ডিসি বলেন, আমরা তাদের বলেছি— আপনারা প্রতিবাদ করেছেন। আমরা যে পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ, তা অ্যালাও (অনুমোদন) করেছি। এখানে এসে সমাপ্ত করেন। আমাদের এই কথাতেই তারা এখানে থেমেছেন। তারা তাদের কথা বলেছেন, বলে শেষ করে চলে গেছেন।

সারাবাংলা/এসএইচ/টিআর





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *