“পুরো বিছানা কেঁপে উঠেছে, ভয়ে বাসায় জানাইনি”


“পুরো বিছানা কেঁপে উঠেছে, ভয়ে বাসায় জানাইনি”

আকস্মিক ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল গোটা নিউজিল্যান্ড। ভূমিকম্পের কারণে বারবার খবরে আসা দেশটি শুক্রবার (৫ মার্চ) মাঝরাতে ফের কেঁপে ওঠে। ভূমিকম্পের সময় বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা অবস্থান করছিলেন ক্রাইস্টচার্চে।

"পুরো বিছানা কেঁপে উঠেছে, ভয়ে বাসায় জানাইনি"

ক্রাইস্টচার্চের নাম শুনলেই অনেকের চোখে ভেসে ওঠে ২০১৯ সালের বর্বরতা। আল নূর মসজিদে ত্রাস ছড়িয়ে কেড়ে নেওয়া হয় গোটা পঞ্চাশ প্রাণ। খেলোয়াড়রা অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেও বাতিল হয় বাংলাদেশের একটি টেস্ট। সেই ঘটনার পর এবারই প্রথম ক্রাইস্টচার্চে টাইগাররা, আর এবার ত্রাস ছড়াল ভূমিকম্প।

Also Read – নিউজিল্যান্ডে ৭.৩ মাত্রার ভূমিকম্প, নিরাপদে টাইগাররা

বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) প্রথমবারের মত অনুশীলন করেছে নিউজিল্যান্ড সফররত বাংলাদেশ দল। নিউজিল্যান্ডে কঠোর কোয়ারেন্টিন পালনের সুবাদে অচেনা পরিবেশে মানিয়ে নিতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে মাহমুদউল্লাহ-তামিমদের। এমন পরিস্থিতিতে মাঝরাতের ভূমিকম্প বেশ ভীতি জাগিয়েছে দলে।

ভূমিকম্পের মূল এলাকা নর্থ আইল্যান্ড থেকে ক্রাইস্টচার্চ ৭০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে, তবু কম্পন ছড়িয়েছে প্রায় পুরো নিউজিল্যান্ডে। ক্রিকেটারদের অনেকেই ঘুমে ছিলেন, তাদের মধ্যে হাতেগোনা ক’জন টের পাননি। দেশের সাথে বিদেশ-বিভূঁইয়ের সময়ের পার্থক্যের কারণে যারা স্থানীয় সময় রাত আড়াইটায়ও ঘুমাতে পারেননি বা জেগে ছিলেন, তারা বেশ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ক্রিকেটার বলেন-

‘ভূমিকম্প টের পেয়েছি। পুরো বিছানা কেঁপে উঠেছে। টেবিলে থাকা বোতল বা অন্যান্য জিনিসও কেঁপে উঠেছে। রুমে একাই ছিলাম। বাসায় এখনো জানাইনি, জানালে দুশ্চিন্তা করবে।’

বাংলাদেশ দল এখন অবস্থান করছে ক্রাইস্টচার্চের ডাবলট্রি বাই হিলটন হোটেলে। সেখানেই ক্রিকেটারদের নাওয়া-খাওয়া-ঘুম। করোনার কারণে বলয়ের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। চাইলেই রিসোর্ট বা হোটেলের বাইরে চলে যাবেন, এমন পরিস্থিতিও নেই। এতসব বিধিনিষেধের মধ্যে মাঝরাতে ভূমিকম্প অনুভূত হওয়া আতঙ্কেরই বটে। সফররত আরেক ক্রিকেটার জানালেন, মাঝরাতে সবকিছু কাঁপতে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন সবাই। তবে ঘুমে ছিলেন বলে তিনি টের পাননি।

৭.৩ মাত্রার এই ভূমিকম্পের কারণে জারি করা হয়েছে সুনামি সতর্কতা। তবে তা নিউজিল্যান্ডের উত্তর উপকূলে ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল থেকে ৩০০ কিলোমিটার এলাকা পর্যন্ত।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *