নিউজিল্যান্ডে সময়টা ভালোভাবে কাজে লাগাচ্ছেন টাইগাররা


নিউজিল্যান্ডে সময়টা ভালোভাবে কাজে লাগাচ্ছেন টাইগাররা

তিন ম্যাচের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে নিউজিল্যান্ড সফরে গিয়েছে বাংলাদেশ দল। সিরিজ শুরুর আগে তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় পাচ্ছে টাইগাররা এবং সেই সময়টাকে ছেলেরা খুব ভালোভাবেই কাজে লাগাচ্ছেন বলে জানান দলের সাথে নিউজিল্যান্ডে যাওয়া হাবিবুল বাশার।

সিনিয়ররা থাকতেই জুনিয়রদের শেখাতে চান বাশার

একাধিকবার নিউজিল্যান্ড সফর করলেও এখনো কোনো জয়ের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। এবার মূল সিরিজ শুরুর আগে লম্বা একটা সময় পাচ্ছেন তারা, যদিও শুরুর ৭ দিন কোয়ারেন্টিনেই কাটাতে হয়েছে। তবে নিউজিল্যান্ডে সবচেয়ে চ্যালেঞ্জ সেখানকার কন্ডিশনের সাথে মানিয়ে নেওয়া, সেটাই ইতোমধ্যে আয়ত্ত্বে নিয়ে ফেলেছে সাকিব-মাশরাফিবিহীন দলটি।

Also Read – নিউজিল্যান্ডকে টপকে টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ভারত, তলানিতে বাংলাদেশ

নির্বাচক বাশার বলেন, ‘আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশনের সাথে মানিয়ে নেওয়া। নিউজিল্যান্ডে আসার আগে এটাই বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। এই সময়টা খুব ভালোভাবেই ব্যবহার করেছে সবাই এবং এখান সুযোগ-সুবিধাও খুব চমৎকার। যেই সময়টা পাচ্ছি, এখানে যেমন উইকেট দেখছি সাধারণত নিউজিল্যান্ডের উইকেট এমনই হয়। এরপরে আমরা কুইন্সটাউনে আরও কিছুদিন অনুশীলনের সুযোগ পাবো।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা একটু আগেই এখানে চলে এসে যে কষ্টটা করছি সেটা ভালোভাবেই ব্যবহার করতে পারছি এবং ভালোভাবেই আমাদের এই সিরিজে কাজে লাগবে বলে আমার মনে হয়। কারণ নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশন তো আমাদের কন্ডিশনের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখানে (ক্রাইস্টচার্চ) যেমন আশা করি বাকি সব জায়গায়ও একইরকম কন্ডিশন হবে। তবে ডানেডিনে একটু বেশি ঠাণ্ডা হতে পারে। তবে উইকেট সব জায়গা একই হবে।’

খেলোয়াড়রাও এই পরিবেশে সন্তুষ্ট বলে নিশ্চিত করেছেন বাশার, ‘খেলোয়াড়দের সাথে কথা হয়েছে, সবাই খুব খুশি। ওরা খুব বেশি সময় পাচ্ছে না তবে যেটুকু সময় পাচ্ছে ভালোমতোই কাজে লাগাচ্ছে। প্রথম কয়েকদিন অবশ্যই কঠিন ছিল। সম্পূর্ণ ভিন্নরকম একটা অভিজ্ঞতা, প্রথম ২/৩ দিন বুঝতেই সময় কেটে গিয়েছিল। ৫/৪ দিন পরে বের হলাম এবং এখন অনুশীলনেরও সুযোগ পাচ্ছি আমরা।’

করোনা পরবর্তী এই সময়ে অন্যান্য দেশে পুরো সিরিজেই জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকতে হলেও নিউজিল্যান্ডে ১৪ দিন পরেই স্বাধীনভাবে ঘোরা যাবে। এই সুযোগটাকে খুবই ইতিবাচক হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ। বাশারের ভাষ্যমতে,

‘এখন আমরা যেই সিরিজই খেলি প্রায় একমাস আমাদের জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকতে হচ্ছে। সেখানে দেখা যায় ওইসময়ে আমরা পরিবার কিংবা কোথাও যেতে পারি না। কিন্তু এখানে ১৪ দিন পরেই সবখানে যাওয়া যাবে এবং খেলার বাইরের সময়টা ভালোভাবেই উপভোগ করা যাবে। ১৪ দিন কষ্ট করার পরে আর আটকা থাকতে হচ্ছে না। ছেলেরা এটা বুঝেছে এবং সবাই ইতিবাচকভাবে নিয়েছে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *