বাংলাদেশের বিপক্ষে আইরিশদের লড়াকু পুঁজি


বাংলাদেশের বিপক্ষে আইরিশদের লড়াকু পুঁজি

চট্টগ্রামে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে জয়ের জন্য বাংলাদেশকে ২৬৪ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিল আয়ারল্যান্ড উলভস। শেষদিকে শেন গেটকাটে এবং ডেলানির ব্যাটে ২৬৩ রান সংগ্রহ করে আইরিশরা।

প্রথম ওয়ানডে স্থগিত হবার পর দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মাঠে নেমেছে দুই দল। চট্টগ্রামে টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের অধিনায়ক সাইফ হাসান। টস হেরেও শুরুটা দারুণ করেন আয়ারল্যান্ডের দুই ওপেনার জেমস ম্যাককুলাম এবং প্রিটোরিয়াস। প্রথম ওয়ানডে চলাকালীন করোনা পজিটিভ হওয়া প্রিটোরিয়াস এদিন দলকে দারুণ শুরু এনে দেন।

মুকিদুল-সুমনদের বেশ ভালোভাবেই সামাল দেন আয়ারল্যান্ডের দুই ওপেনার। উদ্বোধনী জুটিতে আয়ারল্যান্ডের স্কোরবোর্ডে ৮৮ রান যোগ করেন এই দুই ওপেনার। বাংলাদেশকে প্রথম উইকেট এনে দেন সুমন খান। ২১তম ওভারের তৃতীয় বলে উইকেটরক্ষক আকবার আলীর হাতে ক্যাচ তুলে দেন ম্যাককুলাম। সাজঘরে ফেরার আগে ৬২ বলে ৪১ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।

Also Read – এক ওভারে ‘২ উইকেট’ নিয়ে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরালেন রাকিবুল

প্রথম উইকেটে বড় জুটি গড়ার পর দ্বিতীয় উইকেটেও বড় জুটি গড়েন প্রিটোরিয়াস এবং স্টিফেন ডোহেনি। বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক বোলিংয়ে নিয়মিত পরিবর্তন আনলেও দেখেশুনে খেলে দলীয় সংগ্রহ বড় করতে থাকেন প্রিটোরিয়াস এবং ডোহেনি। প্রথম উইকেটে ম্যাককালামের সঙ্গে ৮৮ রানের জুটি গড়ার পর দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ডোহেনিকে সঙ্গে নিয়ে ৮৫ রানের জুটি গড়েন প্রিটোরিয়াস।

সেই সাথে সেঞ্চুরির দিকেও এগোতে থাকেন এই ব্যাটসম্যান। তাঁদের জুটি ভাঙেন রাকিবুল। দলীয় ১৭৩ রানে ডোহেনিকে সাজঘরে ফেরান রাকিবুল। তিনি আউট হন ব্যক্তিগত ৩৭ রান করে। একই ওভারের শেষ বলে সাজঘরে ফেরান সেঞ্চুরির পথে থাকা প্রিটোরিয়াসকে। ব্যক্তিগত ৯০ রানে রাকিবুলের বলে বোল্ড হন তিনি। ফলে ১২৫ বলে ৯০ রান করেই থামতে হয় তাকে।

ক্রিজে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি ক্যামফারও। প্রিটোরিয়াসের বিদায়ের পর দলীয় সংগ্রহে ৭ রান যোগ করতেই শফিকুলের বলে সাজঘরে ফিরতে হয় তাকে। ১৮২ রানে চতুর্থ উইকেটের পতন হলে দলের হাল ধরেন হ্যারি ট্যাক্টর। পঞ্চম উইকেট জুটিতে শেন গেটকাকে নিয়ে ৪১ রানের জুটি গড়েন। তিনি নিজেও খেলেন ২৯ বলে ৩১ রানের আগ্রাসী ইনিংস। আয়ারল্যান্ডের এই অধিনায়ককে সাজঘরে ফেরান মুকিদুল।

আয়ারল্যান্ডের অধিনায়ক বিদায় নিলেও শেষদিকে দলের রান বাড়ানোর দায়িত্ব কাঁধে নেন গেটকাটে। তার করা ২৫ বলে ২৯ এবং গ্যারেথ ডেলানির অপরাজিত ৮ বলে ১৮ রানের কল্যাণে ২৬৩ রান সংগ্রহ করে আয়ারল্যান্ড। বাংলাদেশের হয়ে দুটি করে উইকেট লাভ করেন রাকিবুল এবং সুমন খান।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ

আয়ারল্যান্ড ২৬৩-৭ উলভস (ওভার ৫০)

প্রিটোরিয়াস ৯০, ম্যাককুলাম ৪১, ডেলানি ১৮* :  রাকিবুল ২-৩৯



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *