মশা নিয়ন্ত্রণে ডিএনসিসির সমন্বিত অভিযান শুরু


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: কিউলেক্স মশাসহ সব ধরনের মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ভিন্ন আঙ্গিকে সমন্বিত অভিযান শুরু করেছে। প্রায় ১৪ শ কর্মী একেকদিন একেক অঞ্চলে সকাল-বিকেল একযোগে মশার ওষুধ ছিটানোর দায়িত্ব পালন করবে।

সোমবার (৮ মার্চ) সকাল থেকে ডিএনসিসির অঞ্চলভিত্তিক সমন্বিত এ অভিযান (ক্র্যাশ প্রোগ্রাম) শুরু হয়েছে।

শুক্রবার ব্যতীত আগামী ১৬ মার্চ পর্যন্ত এ অভিযান চলবে। এ ক্র্যাশ প্রোগ্রামে ডিএনসিসির সকল মশক নিধনকর্মী, পরিচ্ছন্নতা কর্মীসহ মশক নিধনের সঙ্গে যুক্ত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী একটি অঞ্চলে একদিন করে কাজ করবেন।

ডিএনসিসির সকল আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণও একসাথে এই অভিযানে অংশগ্রহণ করছেন। অভিযানে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মশক নিধনকর্মী মশার কীটনাশক প্রয়োগ করছেন।

আজ মিরপুর-২ অঞ্চলে (অঞ্চল-২) এ অভিযান সম্পন্ন হয়। আগামীকাল মিরপুর-১০ অঞ্চলে (অঞ্চল-৪), ১০ মার্চ কারওয়ান বাজার অঞ্চল (অঞ্চল-৫), ১১ মার্চ মহাখালী অঞ্চল (অঞ্চল-৩), ১৩ মার্চ ভাটারা অঞ্চল (অঞ্চল ৯) ও সাতারকুল অঞ্চল (অঞ্চল-১০), ১৪ মার্চ উত্তরা অঞ্চল (অঞ্চল-১), ১৫ মার্চ দক্ষিণখান অঞ্চল (অঞ্চল-৭) ও উত্তর খান অঞ্চল (অঞ্চল-৮) এবং ১৬ মার্চ হরিরামপুর অঞ্চলে (অঞ্চল-৬) এই অভিযান পরিচালিত হবে। অভিযান সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা এবং বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

ডিএনসিসি মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম অভিযান উপলক্ষে আজ সকাল সাড়ে সাতটায় পল্লবীর সাগুফতা খাল, ইনডোর স্টেডিয়াম, মিরপুর সেকশন-৬ ও মিল্কভিটা এলাকা পরিদর্শন করেন। বিকাল ৪টায় তিনি মিরপুর-১৩ নম্বর এলাকা পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘ডিএনসিসির ১০টি অঞ্চলে ৫৪টি ওয়ার্ড আছে। ইতোপূর্বে এই ওয়ার্ডগুলোতে সকালে মশার লার্ভিসাইড এবং বিকেলে এডাল্টিসাইড দেওয়া হতো। কিন্তু আমরা কীটতত্ত্ববিদদের সঙ্গে কথা বলেছি, তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী টোটাল সিস্টেমটাকে এই প্রথমবারের মতো পরিবর্তন করলাম। এটি অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ব্যাপার। আমরা এখন প্রতিদিন ১০টি অঞ্চল নয়, বরং এখন অঞ্চলভিত্তিক মশক নিধন করব। আজকে এসেছি অঞ্চল-২ এ, এখানে আমাদের আটটি ওয়ার্ড আছে। এই আটটি ওয়ার্ডের প্রতিটিতে ৬০ জন করে মশক কর্মী দেওয়া হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে আমরা মশার প্রজননস্থলের সর্বত্র ‘টোটাল সুইপিং’ করতে চাই। এ জন্য আমাদের স্বাস্থ্য বিভাগ, প্রকৌশল বিভাগ ও বর্জ্য বিভাগ একত্রে কাজ করছে। আমরা কালকে যাব অঞ্চল-৪ এ। অঞ্চল-৪ শেষ করে অঞ্চল-৫ এ। এইভাবে আমরা কাজগুলো করছি এবং এভাবে আমরা দেখতে চাচ্ছি কি রেজাল্ট হয়।’

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন- ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. সেলিম রেজা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জোবায়েদুর রহমান, ওয়ার্ড কাউন্সিলর দেওয়ান আবদুল মান্নান, তাইজুল ইসলাম চৌধুরী ও সাজ্জাদ হোসেনসহ অনেকে।

সারাবাংলা/এসএইচ/এমআই





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *