নির্বাচকদের বিশ্বাস ধরে রাখতে চান শহিদুল


নির্বাচকদের বিশ্বাস ধরে রাখতে চান শহিদুল

তিনি নজর কেড়েছিলেন টি-টোয়েন্টি লিগ দিয়ে, কারণ ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের অনুসারীর সংখ্যা বাংলাদেশে কম। তবে ‘খাটি সোনা’ বেছে আনার কাজটা করেন যারা, সেই নির্বাচকদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি থাকে এনসিএল, বিসিএলের মত টুর্নামেন্টে। প্রথম শ্রেণির এই টুর্নামেন্টগুলোতে নিয়মিত ভালো করার সুবাদে প্রাথমিক টেস্ট দলে ডাক পেয়েছেন পেসার শহিদুল ইসলাম।

নির্বাচকদের বিশ্বাস ধরে রাখতে চান শহিদুল
শহিদুল ইসলাম। ফাইল ছবি

২৬ বছর বয়সী এই পেসার এবারই প্রথম জাতীয় দলের ছায়াতলে ডাক পেলেন। মূল দলে থাকা হোক বা না হোক, শহিদুল দলের সাথে যাবেন শ্রীলঙ্কা সফরে। তবে টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে অভিষিক্ত হওয়ার আগে উচ্ছ্বাস যেন ঠিক ঠিকরে পড়ছে না।

বিডিক্রিকটাইমকে শহিদুল বলেন, ‘অনুভূতি তো ভালোই। ভালো লাগছে। তবে তেমন কিছু বলতে চাচ্ছি না, কারণ এখনও তো মূল স্কোয়াড দেয়নি। কেবল প্রাথমিক স্কোয়াডে জায়গা পেলাম।’

Also Read – শুভাগতকে দলে নেওয়ার ব্যাখা দিলেন প্রধান নির্বাচক

প্রাথমিক স্কোয়াডে জায়গা পাওয়াও মুখের কথা নয়। সাম্প্রতিক সময়ে প্রথম সারির পেসারদের তালিকা করলে সেই তালিকা দীর্ঘ হবে দ্বিধাহীনভাবে। সেই দীর্ঘ তালিকা থেকে বেছে বেছে নেওয়া হয়েছে যাদের, তাদের একজন শহিদুল। মেধাবী ছাত্র শহিদুল কম্পিউটার বিজ্ঞান নিয়ে পড়ালেখা করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। তবে থিতু হওয়ার চেষ্টা যে ক্রিকেটে, তা তো তার পারফরম্যান্সেই স্পষ্ট।

তরুণ এই পেসার বলেন, ‘টেস্টে ডাক পাওয়া তো সৌভাগ্যের বিষয়। অন্তত দলের সাথে থাকব এটাই অনেক বেশি আলহামদুলিল্লাহ্‌। আমার কাজ হল পারফরম্যান্স ধরে রাখা। সময় আলহামদুলিল্লাহ্‌ খুব ভালো যাচ্ছে, সেটাই ধরে রাখার চেষ্টা করব। নির্বাচকদের বিশ্বাস যেন ধরে রাখতে পারি। পেস বোলারদের জন্য ফিটনেসই আসল, ফিটনেস ধরে রাখতে হবে।’ 

জাতীয় দলের নিয়মিত পেসারদের সাথে থেকে শিখতে চান শহিদুল। ভবিষ্যতের স্কোয়াড প্রস্তুত রাখার জন্য নির্বাচকদের যে অভিপ্রায় তা-ও বুঝতে পারছেন ভালোভাবেই। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে যে বড় ভাইরা জাতীয় দলে আছেন তারা খুবই ভালো। তবে দলের কথা ভেবে পাইপলাইন অবশ্যই মজবুত করা দরকার। সিনিয়ররা থাকতে থাকতেই খেলোয়াড় বের করতে হবে। সিনিয়ররা চলে যাওয়ার পর যেন দল ভেঙে না পড়ে। নির্বাচকরা সেই কাজই করছেন।’ 

তিন ফরম্যাটের মধ্যে, বিশেষ করে সীমিত ও লঙ্গার ভার্শনের ক্রিকেটের মধ্যে লঙ্গার ভার্শনেই স্বস্তি পান শহিদুল। তার ভাষায়, ‘সত্যি বলতে প্রথম থেকেই লঙ্গার ভার্শন ভালো লাগে। এখানেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। ভালোও করছি আলহামদুলিল্লাহ্‌। ভালো করা কঠিন, কিন্তু আমার কাছে মজা লাগে। যে কাজে মজা পাওয়া যায় সেখানে তো স্বাচ্ছন্দ্য বোধ থাকে।’ 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *