তিশার সাথে মিউজিক ভিডিওর গল্প শোনালেন সুজন


তিশার সাথে মিউজিক ভিডিওর গল্প শোনালেন সুজন

ক্রিকেটের মানুষেরা এমনিতেই তারকাখ্যাতি পেয়ে যান। তাদের খ্যাতিকে তুলনা করা যেতে পারে অভিনয়শিল্পীদের খ্যাতির সাথে। কখনো আবার ক্রিকেটাররা নামে-যশে ছাড়িয়ে যান অভিনেতাদেরও। কেমন হয়, যদি ক্রিকেটাররাই নেন অভিনেতার ভূমিকা! 

তিশার সাথে মিউজিক ভিডিওর গল্প শোনালেন সুজন

ক্রিকেট থেকে অভিনয়েও নাম লেখানোর দৃষ্টান্ত আছে বেশ কয়েকটি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য খালেদ মাহমুদ সুজন। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তরুণ বয়সে একটি মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেছিলেন। তার সাথে ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা।

Also Read – শ্রীলঙ্কায় যাচ্ছেন শাহরিয়ার নাফীস

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই দেখা যায় সুজন-তিশার মিউজিক ভিডিওর ক্লিপ। এবার এ নিয়ে মুখ খুললেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ সুজন। বিডিক্রিকটাইমকে জানালেন ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতার গল্প।

সুজনকে মূলত অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন বিসিবির বিমানবন্দর সমন্বয়ক, ক্রিকেট সংগঠক ওয়াসিম খান; যিনি অভিনয়ের সাথে যুক্ত দীর্ঘদিন ধরে। অবশ্য একে প্রস্তাব না বলে জোরাজুরি হিসেবেও আখ্যায়িত করা যেতে পারে!

সুজন বলেন, ‘ওয়াসিম ভাই, আমাদের ওয়াসিম খান, বললেন- চল, তোর আজকে একটা শুটিং আছে। সুন্দর সুন্দর শার্ট নে। আমি বললাম কীসের শুটিং? বুঝিনি প্রথমে।’

সুজন তো নাছোড়বান্দা! অভিনয় তিনি করবেনই না। নাছোড়বান্দা ছিলেন ওয়াসিমও। শেষপর্যন্ত সুজন আর ওয়াসিমের কথা ফেলতে পারেননি।

তিনি জানান, ‘আমি অনেক বললাম- ওয়াসিম ভাই, এগুলো আমি বুঝব না, পারব না। উনি বললেন- কর। ঐ একটা করলাম। তখন আমার বয়স ছিল ২৫-২৬ এরকম।’

সুজন জানান, এখন চাইলেও আর অভিনয় করা হবে না, ‘গানের অনেকগুলো শুট ছিল। এগুলো করা এখন কঠিন। তখন হয়ত ভালো লেগেছিল তাই করেছিলাম।’ 

ক্রিকেটার না হলে কি অভিনেতা হওয়া হত সুজনের? সুজন জানান, ছোটবেলা পাইলট হওয়ার শখ ছিল। যদিও পড়ালেখা করেছেন ব্যবসায় বিভাগে। ক্রিকেটার না হলে হয়ত এখন পুরোদস্তুর ব্যাংকার হতেন, যেখানে আসন গেড়েও থিতু হননি ক্রিকেটের মায়ায়।

সুজন বলেন, ‘আমি একজন ব্যাংকার ছিলাম। কমার্স নিয়ে পড়ালেখা করেছি। ছোটবেলার স্বপ্ন ছিল পাইলট হওয়ার। যদিও সেই অনুযায়ী পড়াশোনাই করিনি। ছেলেবেলার স্বপ্ন আরকি। হয়ত ব্যাংকে ট্যাংকে জব করতাম। আসলে ক্রিকেট ছাড়া কিছু চিন্তা করিনি এত।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *