অধিনায়কত্বের চাপ ‘হজম’ করা শিখে গিয়েছেন মুমিনুল


অধিনায়কত্বের চাপ ‘হজম’ করা শিখে গিয়েছেন মুমিনুল

অধিনায়ক হিসেবে এখনও নিজেকে প্রমাণ করতে পারেনি মুমিনুল হক। অধিনায়কদের যে দেশ, সমর্থকদের চাপ নিতে হয় সেটা শিখে গিয়েছেন মুমিনুল।

অনেকটা আচমকাই অধিনায়কত্বের ভার এসে পড়েছে মুমিনুলের কাঁধে। ২০১৯ সালে ভারত সফরের আগে ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব লুকানোর দায়ে নিষিদ্ধ হন সাকিব আল হাসান। ওই সফরে ব্যক্তিগত কারণে ছিলেন না তামিম ইকবালও। তড়িঘড়ি করে টেস্ট অধিনায়ক করা হয় মুমিনুলকে। ফলাফল, অধিনায়ক হিসেবে দুটোতেই ইনিংস ব্যবধানে পরাজয়।

Also Read – নিউজিল্যান্ড সফরের ব্যর্থতা নিয়ে ভেবে লাভ নেই : মুমিনুল

পরের টেস্টে সাকিবের পাশাপাশি ছিলেন না মুশফিক। পাকিস্তানের বিপক্ষে ওই টেস্টেও ইনিংস ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। অধিনায়ক হিসেবে তৃতীয় জয় এসেছে ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। তবে পরের দুটি ঘরের মাঠে হলেও ক্যারিবীয়দের কাছে হেরেছে বাংলাদেশ। বলতে গেলে এখন পর্যন্ত অধিনায়ক হিসেবে সফল হতে পারেননি মুমিনুল। যে কারণে অধিনায়কের মুমিনুলের সমলোচনা প্রায়ই উঠে।

তবে মুমিনুলের চোখে দর্শক, অধিনায়কত্বের চাপ কেমন? টাইগারদের টেস্ট অধিনায়ক জানালেন ‘অধিনায়কত্বের’ চাপ হজম করা শিখে গিয়েছেন তিনি।

“চাপ বলতে এই যে এতোগুলো মানুষ আছে, এ্তোজন লোক আছে… পুরো দেশ আছে, আপনি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করছেন, আপনার এততুক চাপ তো থাকবেই। যখন ফলাফল আসবে না তখন এতটুকু চাপ তো আপানকে নিতেই হবে। আমার সামর্থ্য যতটুকু.. আমি যদি মনে করি অনেক বেশি চাপ, তখন সেটি নিতে হবে। যখন বিষয়টা হজম করে নিয়েছি যে আমি যেহেতু একটা দলের অধিনায়ক, এতটুকু চাপ আমাকে নিতেই হবে। এতটুকু চাপ নেওয়ার ক্ষমতা আমার আছে মনে করি।”

তিনি আরও যোগ করেন, “খুব বেশি চাপ যে সেটি বলবো না। যেটা বললাম- আপনি এটিকে কিভাবে নিচ্ছেন। আপনি যদি মনে করেন অনেক বেশি তখন সেরকম মনে হবে। আপনি যদি মনে করেন না এটা মাঝারি চাপ, এটি আপনাকে নিতে হবে এবং এটি নিলে হয়তো উপরে উঠবেন তখন সেটি নিতে হবে। আমার কাছে এটি ইতিবাচক চাপ মনে হয়, নেতিবাচক নয়।”

উল্লেখ্য, অধিনায়ক হিসেবে এখন পর্যন্ত ৬টি টেস্টে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন মুমিনুল যার মধ্যে জয় একটিতে এবং পরাজয় পাঁচটিতে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: