বাংলাদেশে আটকে পরা প্রোটিয়ারা ‘ফলস পজিটিভ’


বাংলাদেশে আটকে পরা প্রোটিয়ারা ‘ফলস পজিটিভ’

মহামারি যখন আবারও ভয়ংকর রূপ নিয়েছে, তখন সাহস করে বাংলাদেশ সফরে এসেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং প্রমীলা ক্রিকেট দল। বায়োবাবলের ঝক্কি-ঝামেলা শেষ করে প্রোটিয়ারা সিরিজও খেলছিল। যদিও মহামারির কথা বিবেচনা করে এক ম্যাচ না খেলেই দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেয়। তখন করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হন দলের পাঁচ সদস্য।

বাংলাদেশে আটকে পরা প্রোটিয়ারা 'ফলস পজিটিভ'
চার ক্রিকেটার ও ম্যানেজারকে রেখেই দেশে ফিরেছিলেন বাকি সদস্যরা। ছবি : বিসিবি

প্রোটিয়া তরুণীদের বহরে পাঁচ সদস্যের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবরে রীতিমত হইচই পড়ে গিয়েছিল। দুই দেশের অভ্যন্তরীণ যাতায়াত ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাবে বলে পঞ্চম ও শেষ ওয়ানডে না খেলেই দেশে ফিরে যায় সফরকারী দল। কিন্তু করোনা আক্রান্ত পাঁচজনকে বাংলাদেশে আইসোলেশনে থেকে যেতে হয়।

অথচ পরে জানা গেল, তারা পাঁচজন ছিলেন ‘ফলস পজিটিভ’। অর্থাৎ করোনা আক্রান্ত না হলেও তাদের নমুনায় করোনার উপস্থিতি দেখিয়েছে পিসিআর টেস্ট, যা মূলত ভুল প্রতিবেদন।

Also Read – কেকেআরের পারফর্মে নাখোশ শাহরুখ

আজ থেকে বাংলাদেশে বন্ধ সব ধরনের বিমান চলাচল। ফলস পজিটিভ জানার পর তড়িঘড়ি করে গতকাল (১৩ এপ্রিল) রাতে পাঁচ প্রোটিয়াকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। তাদের ফলস পজিটিভের বিষয়টি জানা গেছে পুনরায় করোনা পরীক্ষা করানোর পর, যে পরীক্ষায় পাঁচজনের ফলাফলই নেগেটিভ এসেছে।

উল্লেখ্য, সাময়িক দুর্ভোগে পড়া এই পাঁচ প্রোটিয়া সদস্য হলেন- সিনালা জাফতা, লিচ জোনস, নবুলুমকো বানেটি, রবিন সিয়ার্ল ও টিম ম্যানেজার মার্সিয়া লেতসওলো।

বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি এখন অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে নাজুক। এমন অবস্থায় দেশে জারি করা হয়েছে কঠোর লকডাউন। সংক্রমণ বৃদ্ধি ঠেকাতে বাংলাদেশের সাথে বিদেশের বৈমানিক যোগাযোগব্যবস্থা আপাতত বন্ধ রয়েছে।

গত ১১ এপ্রিল চতুর্থ ওয়ানডেতে প্রোটিয়াদের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে ৪-০ ব্যবধানে লিড নেয় বাংলাদেশ ইমার্জিং প্রমীলা ক্রিকেট দল। সিরিজ সমাপ্তির ঘোষণার আসে সেদিন রাতেই। বাংলাদেশ সিরিজ জয় নিশ্চিত করায় শেষ ম্যাচটি ছিল কেবলই নিয়মরক্ষার। ১৩ এপ্রিল সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে পঞ্চম ও শেষ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *