জুয়াড়ির সাথে সাকিবের যোগসূত্র ছিলেন স্ট্রিক!


জুয়াড়ির সাথে সাকিবের যোগসূত্র ছিলেন স্ট্রিক!

সাকিব আল হাসানকে বলা হয় বাংলাদেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন। সেই বড় বিজ্ঞাপনই করে বসেছিলেন বড় ভুল। জুয়াড়ির কাছ থেকে দলের গোপন তথ্য সরবরাহের প্রস্তাব পেলেও তা অবহিত করেননি আইসিসি, বিসিবি বা আকসুকে। ফলে ক্রিকেটীয় আইনে এক বছর নিষেধাজ্ঞা ভোগ করেন। 

জুয়াড়ির সাথে সাকিবের যোগসূত্র ছিলেন স্ট্রিক!
২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ দলের সাথে কাজ করেন স্ট্রিক। ফাইল ছবি

সাকিব নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ইতোমধ্যে মাঠে ফিরেছেন পুরোদমে। এরই মাঝে জানা গেল, জুয়াড়িকে তথ্য দিয়ে ৮ বছরের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন হিথ স্ট্রিক। সাকিব যে সিরিজে জুয়াড়ির প্রস্তাব এবং দলের তথ্য ফাঁসের প্ররোচনা পেয়েছিলেন, সেই সিরিজে বাংলাদেশ দলের কাছাকাছি ছিলেন স্ট্রিক। বাংলাদেশের ও জিম্বাবুয়ের সাবেক কোচ স্ট্রিকই কি তাহলে সাকিব আর জুয়াড়ির যোগসূত্র ছিলেন!

এমন প্রশ্ন ওঠা এখন মোটেও অবান্তর নয়, বরং জিম্বাবুয়ের পেস কিংবদন্তির শাস্তির পর যথেষ্ট ‘যৌক্তিক’। স্ট্রিক ২০১৭ সালে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) তিন ক্রিকেটারের সাথে যোগাযোগের নম্বর দিয়েছিলেন জুয়াড়িকে। আইসিসি আরও জানিয়েছে, যাদের সাথে জুয়াড়ির পরিচয় করিয়ে দিতে চেয়েছিলেন স্ট্রিক, তার মধ্যে আছেন একজন জাতীয় দলের অধিনায়কও। প্রসঙ্গত, নিষেধাজ্ঞার আগে সাকিব বাংলাদেশ দলকে তিন ফরম্যাটেই নেতৃত্ব দিয়েছেন।

Also Read – করোনায় আক্রান্ত দিল্লির তারকা পেসার

২০১৮ সালের জানুয়ারিতে শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ের সাথে ঘরের মাঠে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলে বাংলাদেশ। সেই সিরিজে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সাকিব ম্যাচসেরার পুরস্কার পেলে জুয়াড়ি সাকিবকে অভিনন্দন জানান। জিম্বাবুয়ে দলের কোচ হিসেবে স্ট্রিক তখন বাংলাদেশে অবস্থান করছিলেন। বলা বাহুল্য, আগারওয়াল সাকিবের কাছে দলের ভেতরের তথ্যও চাইতেন। স্ট্রিকের বিরুদ্ধে মুল অভিযোগ, তিনি জুয়াড়িকে দলের অভ্যন্তরীণ তথ্য দিতেন যা জুয়াড়িরা ব্যবহার করে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিত।

সাকিবের ক্ষেত্রে জুয়াড়ি দীপক আগারওয়ালের নাম প্রকাশ করলেও স্ট্রিকের ক্ষেত্রে জুয়াড়িকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছে ‘মিস্টার এক্স’ হিসেবে। তবে সমীকরণ মিলিয়ে যতদূর ধারণা করা যাচ্ছে, জুয়াড়িকে সাকিবের সাথে যোগাযোগ করানোর মাধ্যম ছিলেন স্ট্রিকই। ‘মিস্টার এক্স’ হিসেবে যাকে আখ্যায়িত করা হচ্ছে সেই জুয়াড়ি দীপক আগারওয়াল কি না সেই প্রশ্নের উত্তর হয়ত সহসাই জানা যাবে না। তবে ঘটনাপ্রবাহ অনুযায়ী স্ট্রিকই সাকিবের সেই ‘কাছের মানুষ’, যিনি সাকিবসহ একাধিক বাংলাদেশি ক্রিকেটারের মুঠোফোন নম্বর দিয়েছিলেন জুয়াড়িকে। সাকিব ছাড়া বাকি ক্রিকেটাররা বিষয়টি নিয়ে নালিশ করায় শাস্তি পেতে হয়নি কাউকে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: