হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় মন্ত্রীর তোপের মুখে শচীন


হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় মন্ত্রীর তোপের মুখে শচীন

করোনা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন শচীন টেন্ডুলকার। তবে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীলই ছিল। এ কারণে মন্ত্রীর তোপের মুখে পড়তে হয়েছে ভারতের কিংবদন্তি সাবেক ব্যাটসম্যানকে।

প্রতি ৪৫-৫০ ওভারে নতুন বল ব্যবহারের পরামর্শ শচীনের
মৃদু উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন শচীন। ফাইল ছবি

গত ২৭ মার্চ করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর জানান শচীন। এরপর থেকে বাসায়ই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন, ছিলেন আইসোলেশনে। তবে সতর্কতার অংশ হিসেবে তাকে হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

সেই পরামর্শ মেনে হাসপাতালে ভর্তি হন শচীন। সেখানে কয়েকদিন থেকে ৮ এপ্রিল বাসায় ফেরেন। শারীরিক অবস্থা গুরুতর না হলেও সাবধানতার অংশ হিসেবে হাসপাতালে গিয়েছিলেন শচীন।

Also Read – রাজস্থানের জার্সিতে মুস্তাফিজের দুর্দান্ত বোলিং

আর এতেই ক্ষেপেছেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী আসলাম শেখ। তার মতে, গুরুতর অসুস্থতা ছাড়াও করোনা আক্রান্ত যারা হাসপাতালে জায়গা ‘দখল’ করে রাখছেন, তাদের কারণে মুমূর্ষুরা চিকিৎসা পাচ্ছেন না। প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে ভারতে করোনার সংক্রমণ বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে, একইসাথে বাড়ছে শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা।

শুধু শচীন নয়, আসলাম শেখের অসন্তোষ অক্ষয় কুমারের মত বলিউড তারকাকে নিয়েও যিনি করোনা আক্রান্ত হয়ে সচেতনতার অংশ হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

ভারতের একটি সংবাদ সংস্থাকে আসলাম বলেন, ‘যেসব খ্যাতনামারা উপসর্গহীন, তাদের বাড়িতে থেকেই চিকিৎসা গ্রহণ করা উচিত। হাসপাতালে শয্যা দখল করে থাকা উচিত নয়। অক্ষয় কুমার, শচীন টেন্ডুলকারের মতো খ্যাতনামাদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার দরকার নেই। যাদের দরকার তাদের জন্য সেগুলি রেখে দেওয়াই ভালো।’

তার কথায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। শচীন ভক্তরা অবশ্য এ বক্তব্যকে ভালোভাবে নেননি। অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, রাজনৈতিক অনেক নেতৃবৃন্দও উপসর্গহীন বা মৃদু উপসর্গ নিয়ে করোনা আক্রান্ত হিসেবে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। সেখানে শচীনের মত কিংবদন্তির হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণকে ‘জায়গা দখল’ হিসেবে আখ্যায়িত করায় চটেছেন ক্রিকেট সমর্থকদের একাংশ।

শচীন বাড়ি ফিরলেও এখনও আইসোলেশনে রয়েছেন। ৮ এপ্রিলের পর নিজের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আর মুখও খোলেননি তিনি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *