আরও ‘১০০’ বার খেললেও মরিসকে স্ট্রাইক দিতেন না স্যামসন


আরও ‘১০০’ বার খেললেও মরিসকে স্ট্রাইক দিতেন না স্যামসন

জয়ের জন্য ২ বলে প্রয়োজন ৫ রান। সাঞ্জু স্যামসন আরশদ্বীপ সিংয়ের বলটা লং অফে ঠেলে দিয়েও কোনো রান নিলেন না। অথচ একটা রান নেওয়া যেত অনায়াসেই। অপর প্রান্তে থাকা ক্রিস মরিস তখন ২ রানে অপরাজিত।

আরও '১০০' বার খেললেও মরিসকে স্ট্রাইক দিতেন না স্যামসন
মরিস দৌড়ে অপর প্রান্তে চলে গেলেন রান নিতে নারাজ ছিলেন স্যামসন, তাই মরিস ফিরে আসেন নন স্ট্রাইকিং প্রান্তে। ফাইল ছবি

এর পর যা হল, তার জন্য প্রস্তুত ছিলেন না রাজস্থান রয়্যালসের কোনো সমর্থকই। বলকে তুলার মত প্রহার করছিলেন যিনি, শতক হাঁকিয়ে দলকে দিচ্ছিলেন জয়ের আভাস, সেই স্যামসনের শট তালুবন্দী করেন দীপক হুদা। পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে রাজস্থান রয়্যালস হেরে যাওয়ার পর প্রশ্ন ওঠে, স্যামসনের অধিক আত্মবিশ্বাসই কাল হল কি না।

বিশেষ করে দিল্লী ক্যাপিটালসের বিপক্ষে মরিসদের বিধ্বংসী ম্যাচ জেতানো ইনিংসের পর প্রশ্নটা জোরালোই হল। তবে রাজস্থানের অধিনায়ক স্যামসন বলছেন, আরও ১০০ বার ঐ পরিস্থিতিতে থাকলেও সিঙ্গেল নিয়ে মরিসকে স্ট্রাইক দিতেন না তিনি।

Also Read – দুর্নীতির দায়ে নিষিদ্ধ স্ট্রিককে লোভী-স্বার্থপর আখ্যা জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বোর্ডের

স্যামসন বলেন, ‘আমি সবসময় নিজের খেলার পর্যালোচনা করি। ১০০ বার যদি ঐ ম্যাচ খেলার সুযোগ পাই, কোনোবারই আমি সিঙ্গেলটা নিতাম না।’

মরিসকে রাজস্থান দলভুক্ত করেছে রেকর্ড ১৬.২৫ কোটি রুপিতে। প্রথম ম্যাচে সুযোগ না পেলেও নিজের কার্যকারিতা মরিস বুঝিয়েছেন দ্বিতীয় ম্যাচে। তার ১৮ বলে ৩৬ রানের অপরাজিত ইনিংসে ভর করে দিল্লীর বিপক্ষে অবিশ্বাস্য জয় পায় রাজস্থান।

স্যামসন নিজের আত্মবিশ্বাসের জন্য হয়ত প্রথম ম্যাচে মরিসকে স্ট্রাইক দিতে চাননি। তবে মরিসের কীর্তি বা সামর্থ্য নিয়ে তার কোনো সন্দেহ নেই। অবশ্য মরিসদের ম্যাচ জেতানো ইনিংস দেখে কিছুটা বিস্মিতই যেন হলেন জয়ী অধিনায়ক।

স্যামসন বলেন, ‘সত্যি বলতে ৪০ রানে ৫ উইকেট চলে যাওয়ার পর আর ভাবিনি জিততে পারব। দলে ডেভিড মিলার এবং মরিস ছিল, তবুও মনে হয়েছিল জেতা কঠিন।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *