খালেদা জিয়ার সিটি স্ক্যানে ‘মিনিমাম ইনভলমেন্ট’ রিপোর্ট


স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: করোনা আক্রান্ত বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সিটি স্ক্যানের ফাইনাল রিপোর্টে ‘মিনিমাম ইনভলমেন্ট’ রিপোর্টে এসেছে বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হাসান।

শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে সারাবাংলাকে তিনি এসব তথ্য জানান।

অধ্যাপক এ জেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, “আমরা গতকাল গভীর রাতে ম্যাডামের সিটি স্ক্যানের ফাইনাল রিপোর্ট হাতে পেয়েছি। সেখানে ‘মিনিমাম ইনভোলমেন্ট’—এর কথা বলা হয়েছে। যেটা সাময়িক রিপোর্টে বলা হয়েছিলো।”

তিনি বলেন, ‘রাতেই লন্ডনে অবস্থানরত আমাদের ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সহধর্মিনী ডা. জোবাইদা রহমানসহ দেশ-বিদেশে ওনার মেডিকেলে টিমের বিশেষজ্ঞ চিকিতসকদের সঙ্গে আমরা পুরো রিপোর্টটি পর্যালোচনা করেছি। সবার পরামর্শ নিয়ে আরেকটা ওষুধ যুক্ত করা হয়েছে। চিকিৎসায় যেসব ঔষধপত্র আগে দেওয়া হয়েছে তা ঠিক আছে।”

‘আমরা সবাইকে জানাতে চাই যে, সিটি স্ক্যানের ফাইন্ডিংস, সেটাকে ক্লিনিক্যালী আমরা মনে করতে পারি যে এটি অত্যন্ত মিনিমাম, নেগলিজিবল’— বলেন ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) রাতে বসুন্ধরায় এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়ার সিটি স্ক্যান করানো হয়। গুলশানের বাসা থেকে তাকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিশেষ নিরাপত্তায় এভারকেয়ারে নিয়ে পরীক্ষা করিয়ে আবার গুলশানের বাসায় ফিরিয়ে আনা হয়।

খালেদা জিয়ার করোনা পজেটিভ শনাক্ত হওয়ার পর প্রখ্যাত ‘বক্ষব্যাথি ও মেডিসিন’ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এফ এম সিদ্দিকীরে নেতৃত্বে ব্যক্তিগত চিকিৎসক টিম গুলশানের বাসায় তার চিকিৎসা শুরু করে। বিএনপি চেয়ারপারসন ছাড়াও তার বাসার আরও ৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের চিকিৎসাও এখানে চলছে।

বাংলাদেশে নভেল করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার ১৭ দিনের মাথায় গত বছর ২৫ মার্চ নির্বাহী আদেশে সাময়িক মুক্তি পান বেগম খালেদা জিয়া। মুক্তির পর গুলশানের ভাড়া বাসা ‘ফিরোজায় অবস্থান করছিলেন না। করোনা মহামারির মধ্যে তার সঙ্গে নিকট আত্মীয় এবং দলের কয়েকজন শীর্ষ নেতা ছাড়া কেউ দেখা-সাক্ষাৎ করতে পারেননি। এমন একটা পরিবেশ পরিস্থিতির মধ্যেও গত ১০ এপ্রিল তার শরীরে করোনা শনাক্ত হয়।

সারাবাংলা/এজেড/এমও





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *