নব্বইয়ে আউট হওয়া যে কারও জন্য কষ্টের : নাফিস


নব্বইয়ে আউট হওয়া যে কারও জন্য কষ্টের : নাফিস

নতুন বলে পেসারদের সামলানো সহজ কাজ নয়। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে তামিম ইকবালের সাবলীল ব্যাটিং তাই শুধু অবাকই করেনি, ক্যান্ডিতে বাংলাদেশি ওপেনার নতুন বলকে পুরনো বানানোর পথে যেভাবে ব্যাটিং করেছেন, তাতে মুগ্ধতাও ছড়ালেন। 

তামিমের এমন বিদায়ে পুরো গ্রহই কষ্ট পাবে নাফিস
অপ্রয়োজনে বল ছুঁয়ে সাজঘরে ফেরেন তামিম। ছবি : গেটি ইমেজ

শুরুতেই সঙ্গী সাইফ হাসানকে হারানোর চাপ দলের গায়ে মাখতে দেননি তামিম। ওয়ানডে মেজাজে খেলে লঙ্কান বোলারদের শাসনের ওপর রেখেছেন। তবে আক্ষেপের বিষয়, এমন দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের ইনিংসটির ইতি ঘটে নার্ভাস নাইন্টিতে।

এর আগেও একবার নব্বইয়ের ঘরে আউট হয়েছেন তামিম। ৮ বছর আগে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে ৫ রনের জন্য পাননি শতকের দেখা। এবার শতক পেলেন না ১০ রানের জন্য। বিশ্ব ফার্নান্দোর অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ব্যাট ছোঁয়াতে গিয়ে তালুবন্দী হন ১০১তম বলে। তার আগে হাঁকিয়েছেন ১৫টি চার।

Also Read – টি-টোয়েন্টিতে কোহলির সাথে ব্যবধান বাড়ালেন বাবর

তামিমের এমন বিদায়ে কী বলছেন নাফীস ইকবাল? কিছুটা আক্ষেপ অবশ্যই আছে তামিমের বড় ভাই ও জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটারের। তবে একে ক্রিকেটীয় দৃষ্টিকোণেই দেখছেন।

মুঠোফোনে তিনি বলেন, ‘প্রথম দিনের উইকেটে যেভাবে ব্যাট করছিল, বিশেষ করে সাইফ আউট হওয়ার পর, এরপর ইনিংসের এমন ইতি দেখা অনেক কষ্টকর। বলব না আমি হতাশ, কারণ এমন ভুল কেউ স্বেচ্ছায় করে না। তবে সে দারুণভাবে ব্যাটিং করছিল, ভালো ভালো শট খেলছিল। শতকের সুযোগটা হাতছাড়া করল।’ 

নাফিস অবশ্য বলছেন, এমন দুর্ভাগ্য যে কারও হতে পারে, হয়েছে অনেক কিংবদন্তিরও। তিনি বলেন, ‘বিদেশে খেলার সময় যেকোনো ব্যাটসম্যানই ১০ রানের জন্য শতক হাতছাড়া করলে হতাশ হবে। তবে মাথায় রাখতে হবে, শতকের সুযোগ আরও আসবে। আর কিংবদন্তি ক্রিকেটাররাও এভাবে শতক হাতছাড়া করেছেন। এই ফরম্যাটে তামিম সবচেয়ে বেশি পরিশ্রম করে। এভাবে শতকের মাইলফলক হাতছাড়া হলে যে কেউই কষ্ট পাবে।’ 

নাফিস অবশ্য একটা জিনিস ‘ভুল’ বলেছেন। তামিমের এই বিদায়ে কষ্ট পাবে না লঙ্কানরা!



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *