মুস্তাফিজের ক্ষুরধার বোলিং, কোণঠাসা কলকাতা


মুস্তাফিজের ক্ষুরধার বোলিং, কোণঠাসা কলকাতা

মুখোমুখি কলকাতা নাইট রাইডার্স আর রাজস্থান রয়্যালস, দুই দলে আছেন দুই বাংলাদেশি। তবে একাদশ দেখেই মন খারাপ হল অনেকের, কলকাতার হয়ে খেলছেন না সাকিব আল হাসান। এরপর বাংলাদেশি সমর্থকদের আশার আলো ছিলেন যিনি, সেই মুস্তাফিজুর রহমান আলো ছড়ালেন কলকাতার বিপক্ষে।

মুস্তাফিজের ক্ষুরধার বোলিং, কোণঠাসা কলকাতা

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) চতুর্দশ আসরের হাই ভোল্টেজ ম্যাচে রাজস্থানের বিপক্ষে ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেনি কলকাতা। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ম্যাচের মেজাজ অনুযায়ী রান তুলতে পারেনি ইয়ন মরগানের দল।

Also Read – ড্রয়ে চোখ বাংলাদেশের

বল হাতে মুস্তাফিজ দেখিয়েছেন ক্ষুরধার পারফরম্যান্স। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে নিজের প্রথম ওভার করতে আসেন মুস্তাফিজ। একটি চার হজম করলেও সেই ওভারে খরচ করেন ৭ রান। পঞ্চম বলে যশস্বী জাইসওয়ালের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন শুবমান গিল, কিন্তু সেই ক্যাচ ফসকে যায়।

ষষ্ঠ ওভারে মুস্তাফিজ আবারও বোলিংয়ে আসেন। সেই ওভারে প্রথম উইকেটের দেখা পায় রাজস্থান। ওভারে মাত্র ২ রান খরচ করেছিলেন। তার আঁটসাঁট বোলিং কাজে লাগিয়ে জস বাটলার রান আউট করেন গিলকে। পরবর্তীতে সুনীল নারাইনের ব্যাট থেকে আসা কঠিন ক্যাচ তালুবন্দী করা জাইসওয়াল মুস্তাফিজের প্রথম ওভারে ক্যাচ না ছাড়লে গিলের উইকেটের মালিক হতেন মুস্তাফিজই।

মুস্তাফিজের সৃষ্টি করা চাপ কাজে লাগিয়ে কলকাতাকে চেপে ধরে রাজস্থান। স্লগ ওভারে বারবার দলের ত্রাতা হয়ে আবির্ভূত হওয়া মুস্তাফিজ নিজের তৃতীয় ওভার করেন ইনিংসের ১৬তম ওভারে। মাত্র ৫ রানের খরচায় সেই ওভারে তিনি শিকার করেন দীনেশ কার্তিককে। ২৪ বলে ২৫ রান করা কার্তিক ক্যাচ তুলে দেন রাহুল ত্রিপাঠির হাতে।

৩ ওভারে মাত্র ১৪ রান খরচ করে মুস্তাফিজ নিজের শেষ ওভারের দায়িত্ব নেন ইনিংসের ১৯তম ওভারে। কলকাতার ততক্ষণে ৭ উইকেট নেই। প্রথম ২ বলে ১ রান খরচ করলেও তৃতীয় বলে চার হাঁকান শিভম মাভি। পঞ্চম বলে প্যাট কামিন্স ক্যাচ তুলে দেন, তবে ৩ জন ফিল্ডার বলের পেছনে ছুটেও সহজ সেই ক্যাচ কেউ তালুবন্দী করতে পারেননি। এই ওভারে মোট ৯ রান দেন তিনি। ৪ ওভারে ১ উইকেট শিকার করেন ২২ রানের খরচায়।

নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে কলকাতার সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩৩ রান। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেন রাহুল ত্রিপাঠি, ২৬ বলের মোকাবেলায়। এছাড়া কার্তিক ২৪ বলে ২৫ ও নিতিশ রানা ২৫ বলে ২২ রান করেন। সুনীল নারাইন ৭ বল খেলে করেছেন ৬ রান। অধিনায়ক মরগান কোনো বল মোকাবেলা না করেই রান আউট হন।

৪ ওভার বল করে মুস্তাফিজই ছিলেন দলের সবচেয়ে মিতব্যয়ী বোলার। যদিও ক্রিস মরিস উইকেট শিকার করেছেন ৪টি, ২৩ রানের খরচায়।

সংক্ষিপ্ত স্কোর 

টস : রাজস্থান রয়্যালস

কলকাতা নাইট রাইডার্স : ১৩৩/৯ (২০ ওভার)
ত্রিপাঠি ৩৬, কার্তিক ২৫, রানা ২২
মরিস ২৩/৪, মুস্তাফিজ ২২/১, উনাদকাট ২৫/১



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *