তামিমের মত খেললে পাঁচটি শতক হত কিনা সন্দেহ : মুমিনুল


তামিমের মত খেললে পাঁচটি শতক হত কিনা সন্দেহ : মুমিনুল

দলের হাল শক্ত করে ধরতে গিয়ে একটি রেকর্ডই গড়ে ফেললেন তামিম ইকবাল। ১৩১ বছর আগে গড়া অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান জন জেমস লায়ন্সের রেকর্ড ভেঙেছেন বাংলাদেশি ওপেনার। টেস্টে তার স্বাচ্ছন্দ্য ব্যাটিং দিনশেষে প্রশ্নের মুখে ফেলল দলের অধিনায়ককে।

তামিমের মত খেললে পাঁচটি শতক হত কিনা সন্দেহ মুমিনুল

টেস্ট মানে ধীরস্থির ব্যাটিং, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে এই ফরম্যাটে ইদানীং তামিম যেন আগ্রাসী ব্যাটসম্যান হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছেন। যদিও বাকি দুই ফরম্যাটে তার রান তোলার গতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছেই। রবিবার (২৫ এপ্রিল) ক্যান্ডিতে শ্রীলঙ্কা-বাংলাদেশের প্রথম টেস্টের পঞ্চম দিনে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের দলীয় রান যখন ৫২, তখন তামিমের অর্ধশতক পূর্ণ হয়। মাত্র ৫৬ বলে অর্ধশতক হাঁকান তামিম। এই ৫০ রান করার পথে তার ব্যাট থেকে আসে ৭টি চার ও ২টি ছক্কা।

Also Read – উড়তে থাকা কোহলিদের মাটিতে নামালেন জাদেজা

তামিম যদি এত সাবলীল ভঙ্গিমায় রান তুলতে পারেন, তাহলে অন্য ব্যাটসম্যানরা কেন এত ধীরে ব্যাট করেন? ফরম্যাট বিবেচনায় কাউকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করার সুযোগ নেই, তবে তামিম ও সতীর্থদের ব্যাটিংয়ের মাঝে তফাৎ নিয়ে প্রশ্ন শুনতে হয়েছে মুমিনুল হককে।

জবাবে বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক বলেন, ‘আপনারা আমার চেয়েও বেশি দেখেছেন, তামিম ভাই ছোটবেলা থেকেই এভাবে ব্যাটিং করে। আমার খেলার ধরন আরেক রকম। একেকজনের খেলার ধরন একেকরকম থাকে। উনি শট খেলতে পছন্দ করে।’

তামিমের মত খেললে পাঁচটি শতক হত কিনা সন্দেহ মুমিনুল

মুমিনুল মনে করেন, তিনি বা অন্যরা তামিমের মত ব্যাট করতে গেলে ভালো করার সম্ভাবনা উল্টো কমে যাবে। মুমিনুলের ভাষায়, ‘আমি যদি উনার মত খেলতে যাই হয়ত আমার যে এগারোটা শতক আছে আল্লাহর রহমতে, সেটা পাঁচটাও হত কি না সন্দেহ আছে। তো একেকজনের খেলার প্যাটার্ন একেক রকম। পরিকল্পনা ভিন্ন থাকে। যে যার পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলার চেষ্টা করে।’

এই টেস্টে বিদেশের মাঠে প্রথম শতক হাঁকানোর কীর্তি গড়েছেন মুমিনুল। দেশের সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরির মালিক নিজের পারফরম্যান্সে খুশি।

তিনি বলেন, ‘যখন থেকে বাংলাদেশ দলে খেলছি তখন থেকেই দলে অবদান রাখার চেষ্টা করছি। বিদেশে এসে আগে কখনও বড় ইনিংস খেলা হয়নি। আল্লাহর রহমতে এবার প্রথম বিদেশের মাটিতে দলের জন্য কিছু অবদান রাখতে পেরে খুশি। অধিনায়ক হিসেবে আমার তো সবসময় দলে অবদান রাখা জরুরী।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *