শান্ত-মুমিনুলদের ব্যাটিং ধৈর্যে ‘মুগ্ধ’ করুনারত্নে


শান্ত-মুমিনুলদের ব্যাটিং ধৈর্যে ‘মুগ্ধ’ করুনারত্নে

পাল্লেকেলে টেস্টে বোলারদের চেয়ে ব্যাটসম্যানদের আধিপত্য ছিল বেশি। যে কারণে শেষ পর্যন্ত ‘ড্র’য়ে শেষ হয়েছে দুই দলের মধ্যকার প্রথম টেস্টটি। উইকেট ব্যাটিং স্বর্গীয় হলেও বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের ধৈর্যের প্রশংসা করেছেন লঙ্কান অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে।

পাল্লেকেলেতে প্রথম দিন থেকেই পিচ থেকে বাড়তি সুবিধা আদায় করছিল ব্যাটসম্যানরা। উইকেট দেখে টস জিতে আগে ব্যাটিং নেওয়ারই সিদ্ধান্ত নেন টাইগার দলপতি মুমিনুল হক। ব্যাটিং স্বর্গীয় উইকেটে প্রথম থেকে আগ্রাসী ব্যাটিং করতে দেখা যায় তামিমকে। তবে তামিম ৯০-এর ঘরে থামলেও ধৈর্যের পরীক্ষা দেন শান্ত ও মুমিনুল। টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পান শান্ত।

Also Read – সুপার ওভারের রোমাঞ্চে হায়দরাবাদকে হারাল দিল্লী

অন্যদিকে বিদেশের মাটিতে প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পান দলপতি মুমিনুলও। ৩৭৮ বলে ১৬৩ রানে ইনিংস থামে শান্তর এবং ৩০৪ বলে ১২৭ রান করেন মুমিনুল। এই দুই ব্যাটসম্যান বাদেও টেস্ট মেজাজেই ব্যাটিং করেন মুশফিকও। তিনি খেলেন ১৫৬ বলে ৬৮ রানের অপরাজিত ইনিংস। ব্যাটসম্যানদের এমন ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে দেখে প্রশংসা করতে দ্বিধা করেননি শ্রীলঙ্কান অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে।

“আমরা ভেবেছিলাম উইকেটে কিছুটা পেস এবং বাউন্স থাকবে তবে কন্ডিশন এবং গরম পিচকে ফ্ল্যাট করতে সাহায্য করেছে। বোলাররা তাদের সেরাটা দিয়েই চেষ্টা করেছে। বাংলাদেশ দলের ব্যাটসম্যানরাও ভালো ব্যাটিং করেছে। ব্যাটসম্যানরা তাদের ধৈর্যের পরীক্ষা দিয়েছে, আমাদের ব্যাটসম্যানরাও ভালো ব্যাটিং করেছে।”

শান্ত-মুমিনুল ডাবল সেঞ্চুরির দেখা না পেলেও ঠিকই পিচের সর্বোচ্চ ব্যবহার করেন করুনারত্নে। পাল্লেকেলেতে ধনঞ্জয়ার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ার পাশাপাশি নিজে খেলেন ২৪৪ রানের ইনিংস। রানে ফিরতে পেরে উচ্ছ্বাসিত এই লঙ্কান অধিনায়ক।

“ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে কঠিন সময় কেটেছে আমার যে কারণে এই উইকেটের সর্বোচ্চ ব্যবহারের চেষ্টা করেছি। প্রথম কয়েক ওভারে ব্যাটিং করতে একটু সমস্যা হচ্ছিলো তবে উইকেটে টিকে থাকতে পারলে রান পাব, এই বিশ্বাস ছিল।”

এই টেস্টে কষ্ট করে উইকেট আদায় করতে হয়েছে দুই দলের বোলারদের। তিন ইনিংসে উইকেট পড়েছে ১৭টি। প্রথম টেস্টে বোলারদের জন্য কিছু না থাকলেও করুনারত্নে চান দ্বিতীয় টেস্টে বোলাররা যাতে ২০ উইকেট নিতে পারে ওই ধরণের উইকেট যেন তৈরি করতে।

“সত্যি বলতে উইকেটে বোলারদের জন্য কিছুই ছিল না। ব্যাটিং স্বর্গ উইকেট বলা যায়। এই উইকেটে যদি আবার বোলিংয়ের সুযোগ পেতাম, আমার মনে হয় না ভিন্ন কিছু করতে পারতাম। দ্বিতীয় টেস্টে বোলারদের জন্যও উইকেটে কিছু থাকা উচিত বলে মনে করি। কারণ টেস্ট জিততে ২০ উইকেট তো নিতে হবে।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: