পরিচ্ছন্নতাকর্মী সেজে আইপিএলে প্রবেশ জুয়াড়ির!


পরিচ্ছন্নতাকর্মী সেজে আইপিএলে প্রবেশ জুয়াড়ির!

করোনার কারণে আইপিএল বন্ধ হওয়া নিয়ে যখন উত্তাল ক্রিকেট দুনিয়া, তখন বের হল চাঞ্চল্যকর এক তথ্য। আইপিএলের চতুর্দশ আসর চলাকালে এক জুয়াড়ি পরিচ্ছন্নতাকর্মীর ছদ্মবেশে স্টেডিয়ামে করেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তাকে আটক করা না গেলেও পুলিশ ধরেছে আরও দুই জুয়াড়িকে।

অলরাউন্ডার হারপ্রীতে নাকাল কোহলিরা

গত রবিবার দিল্লীর অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছিল রাজস্থান রয়্যালস ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। আইপিএল চলছিল জৈব সুরক্ষা বলয়ে, যেখানে দর্শক বা বাইরের কারও মাঠে প্রবেশের সুযোগ নেই। দুই জুয়াড়ি তাই ধরেছিলেন ছদ্মবেশ। তারা এখন হাজতবাসে।

Also Read – বাংলাদেশকে হারানোর পুরস্কার পেলেন মেয়ার্স-বোনাররা

ভারতের দন্ডবিধি ও মহামারি রোগ আইনে অভিযোগ আনা হয়েছে আটককৃত দুই জুয়াড়ির বিরুদ্ধে। দুই জুয়াড়ি হলেন কৃষ্ণান গার্গ ও মনিশ কানসাল।

আরেক জুয়াড়ি দিল্লীর স্টেডিয়ামে ঢুকেছিলেন ছদ্মবেশে। তাও যেই সেই বেশ নয়, নিয়েছিলেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর বেশ, যাতে কেউ সহজে সন্দেহ করতে না পারেন! মাঠে ঢুকার জন্য যে পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক তাও নকল করে বানিয়ে নেন। বাস চালক, পরিচ্ছন্নতাকর্মী প্রমুখের জন্য যে অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড তৈরি করা হয়েছিল, হুবুহু এরকম একটি কার্ড দেখিয়ে মাঠে প্রবেশ করেন। যদিও কোন ম্যাচে প্রবেশ করেছিলেন তা জানা যায়নি।

তিনি মাঠে একাকী দাঁড়িয়ে তথ্য পাচার করছিলেন অন্য জুয়াড়িদের কাছে। এ সময় সন্দেহ হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন মাঠে দায়িত্বরত এক কর্মকর্তা। জুয়াড়ি জানান, তিনি তার বান্ধবীর সাথে ফোনে কথা বলছেন। একপর্যায়ে পালিয়ে যান পরিচ্ছন্নতাকর্মীর বেশ ধরে থাকা জুয়াড়ি।

বিসিসিআইর দুর্নীতি দমন শাখার প্রধান সাব্বির হুসেইন শেখাদাম খান্ডাওয়াওয়ালা জানান, ‘আমি আশাবাদী, দুই একদিনের মাঝে পুলিশ তাকে আটক করবে। মনে হচ্ছে সে ছোটখাটো কোনো জুয়াড়ি। এমন কারও কাছে সে তথ্য পাচার করে যে বড় জুয়াড়ি।’

মাঠ থেকে খেলা সরাসরি সম্প্রচার করা হলেও টিভিতে তা দেখা যায় ঘটনার কয়েক মুহূর্ত পরে। জুয়াড়িরা সেই সময়টাকেই কাজে লাগিয়ে অবৈধভাবে উপার্জন করে কাড়ি কাড়ি টাকা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *