বায়োবাবলে হাঁপিয়ে উঠেছেন মুস্তাফিজ


বায়োবাবলে হাঁপিয়ে উঠেছেন মুস্তাফিজ

করোনাকালে কঠিন হয়ে গেছে ক্রিকেটারদের কার্যক্রম। জৈব সুরক্ষিত বলয়ে বা বায়ো সেফটি বাবলে থেকে চালিয়ে যেতে হচ্ছে খেলা। তাতে মানসিক চাপও পড়ছে খেলোয়াড়দের উপর। এর নেতিবাচক প্রভাবও ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

ইতিপূর্বে একাধিক ক্রিকেটার বায়োবাবলের চাপে ক্রিকেট থেকে বিরতি নিয়েছেন। এমন নজির আছে বাংলাদেশেও। ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল বিরতি নিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে। এখন পর্যন্ত বিরতি নিতে হয়নি তারকা পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে। তবে বায়োবাবলের কারণে হাঁপিয়ে উঠেছেন তিনিও।

Also Read – আবিদের অপরাজিত দ্বিশতকের পর কোণঠাসা জিম্বাবুয়ে

দীর্ঘ সময় বায়োবাবলে থাকা কারও জন্যই সহজ নয়। নিউজিল্যান্ড সফর শেষ করে মুস্তাফিজ দেশে ফিরেছিলেন ঠিক, তবে বিমানবন্দর থেকেই চেপে বসেন আইপিএলের বিমানে। সেখানে কোয়ারেন্টিন সেরে দলের সাথে যোগ দেন। করোনার হানায় খেলা বন্ধ হয়ে গেলে আবারও কোয়ারেন্টিন করতে হয়। বায়োবাবল ছেড়ে দেশে ফিরেছেন, তবে আবারও কোয়ারেন্টিন করতে হচ্ছে সরকারী নিয়মের কারণে।

বাইরের পৃথিবী থেকে এতদিন বিচ্ছিন্ন থেকে মুস্তাফিজও ক্লান্ত। ক্রিকেট বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ক্রিকবাজকে তিনি বলেন, ‘এটা খুব ক্লান্তির। দিন দিন শুধু কঠিনই হচ্ছে ব্যাপারটা। হোটেল রুম থেকে ভেন্যু- এই রুটিনে আপনি কয়দিন উপভোগ করবেন? সবসময় প্রটোকল মেনে চলতে হচ্ছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট হোক বা আইপিএল, সবার জন্যই কঠিন এটা। তবে কিছুই করার নেই।’

আইপিএল থেকে ফেরা আরেক বাংলাদেশি সাকিব আল হাসান নিউজিল্যান্ড সফরে যাননি। তাই আইপিএলে আগে কিছুটা বিরতি পেয়েছিলেন। মুস্তাফিজের জন্য সময়টা তাই একটু বেশি কঠিন।

তিনি বলেন, ‘ভারতে বায়োবাবলে থেকেছি, এখন এখানে কোয়ারেন্টিন করছি। আমরা অন্য যাত্রীদের মত ভ্রমণ করিনি। একটি দলে পজিটিভ শনাক্ত হওয়ার পর আমরা রুম কোয়ারেন্টিনে চলে যাই। পাঁচ থেকে ছয়দিন আমরা একটি রুমে আবদ্ধ ছিলাম। এরপর বিমানে উঠলাম, এরপর কোয়ারেন্টিন করছি।’

চলমান কোয়ারেন্টিন শেষ করেও অবশ্য আবার ক্রিকেটে ব্যস্ত হয়ে পড়তে হবে মুস্তাফিজকে। আগামী ২৩ মে থেকে শুরু হবে স্বাগতিক বাংলাদেশ ও সফরকারী বাংলাদেশের মধ্যকার তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *