ঈদে বাড়িতেই আনন্দে থাকুক শিশুরা


লাইফস্টাইল ডেস্ক

ঈদে সবচেয়ে বেশি আনন্দ শিশুদেরই। নতুন জামা, সেলামি, বেড়ানো, পছন্দের খাবার ইত্যাদি নানা কাজে ব্যস্ত থাকে শিশুরা। তাদের আনন্দের যেন শেষ নেই। তবে মহামারির কারণে এবছরও ঈদকে ঘরে বসেই উদযাপন করবে পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষ।স্কুলে যাওয়ার তাড়া নেই, সারাদিন ঘরে থাকা, বাইরে বের হতে মানা, এসব নানা বিধিনিষেধের কারণে শিশুদের মন এমনিতেই ভারী হয়ে আছে। তারওপর ঈদটাও সাদামাটা।

তবে লকডাউনের মধ্যেও বাড়িতেই এই ঈদকে শিশুদের জন্য বিশেষ করে তুলতে পারেন। যারা শিশুদের ঈদের আনন্দটা বাড়িতে থেকেও ধরে রাখতে চান সেসব অভিভাবকদের জন্য রইলো কিছু টিপস।

ঘরকে দিন বিশেষ দিনের আমেজ

বিশেষ দিনে সবসময় ঘরে এক ধরনের উৎসবের আমেজ থাকে। ঈদের দিনে আপনার ঘরকে উৎসবের দিনের মতো করে একটু সাজিয়ে নিতে পারেন। অনলাইন থেকে ঘর সাজানোর উপকরণ কিনে নিয়ে নিজের মতো করে সাজাতে পারেন। এতে শিশুরাও অংশ নিতে পারে। ঈদের দিনে শুধুমাত্র বেলুন দিয়ে ঘর সাজিয়েও কিন্তু আপনার শিশুকে সারপ্রাইজ দিতে পারেন।

শিশুকে নিয়ে তৈরি করুন ঈদের বিশেষ খাবার

ঈদের দিনে খাবার টেবিল থাকে ভরপুর। কোন বিশেষ খাবার বা আপনার শিশুর পছন্দের খাবারটি পরিবারের সদস্যরা মিলে তৈরি করুন। শিশুকেও সঙ্গে নিন। তার পছন্দের খাবার সম্পর্কে জানুন এবং তাকে সঙ্গে নিয়ে সেটি তৈরি করুন। এরমাধ্যমে শিশুরা ঈদের আনন্দের সঙ্গে অনেক বেশি যুক্ত হবে এবং তাদের সময়টাও অনেক আনন্দে কাটবে।

পরিবারের সবাই মিলে খেলার আয়োজন করুন

কোন পারিবারিক উৎসবই আড্ডা আর খেলা ছাড়া জমে ওঠে না। শিশুদের এই ঈদকে বিশেষ করে তুলতে পরিবারের সবাই মিলে একটি খেলার আয়োজন করতে পারেন। সেখানে অবশ্যই শিশুদের যুক্ত করতে হবে।

আত্মীয় স্বজন ও বন্ধুদের সঙ্গে ভিডিও চ্যাট করুন

ঈদের দিনে একটু সময় বের করে কাছের কিছু আত্মীয়দের সঙ্গে ভিডিও চ্যাট করতে পারেন। জুম, স্কাইপে বা অন্য কোনভাবে ভিডিও চ্যাটের মাধ্যমে দাদা-দাদী, নানা-নানী, মামা-মামী, খালা, ফুপু, চাচা-চাচী, ভাই-বোনদের সঙ্গে গল্প আর আড্ডা হলে শিশুরা ঈদের আমেজটা একটু হলেও পাবে।

ঈদী

সবশেষ যা ছাড়া শিশুদের ঈদ ভাবাই যায় না তা হলো ঈদী। আপনার শিশুর ঈদকে বিশেষ করতে চাইলে ঈদীর কথা ভুলে গেলে চলবে না। যদি এবার আপনার শিশুর প্রথম রোযা হয়, তাহলে তাকে অবশ্যই তার জন্য পুরস্কৃত করুন।

সারাবাংলা/এসএসএস





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *