বায়োবাবলে মানসিক দৃঢ়তা নিয়ে সন্দিহান কোহলি


বায়োবাবলে মানসিক দৃঢ়তা নিয়ে সন্দিহান কোহলি

বায়োবাবলে ক্রিকেটারদের মানসিক দৃঢ়তা নিয়ে সন্দিহান ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি। খেলার কারণে এখন বাইরের দুনিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতে হয় ক্রিকেটারদের। ফলে মানসিক চাপের মুখে থাকতে হয়, প্রভাব পড়ে পারফরম্যান্সে। বিষয়টি ভাবিয়ে তুলছে বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যানকে।

নিজ দেশের টিকা নেবেন না কোহলিরা

আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল ও ইংল্যান্ড সিরিজ খেলতে ভারত টেস্ট দল উড়াল দিচ্ছে ইংল্যান্ডে। তার আগে কোহলি তুলে ধরলেন, মহামারীকালে ক্রিকেট কত কঠিন হয়ে উঠেছে তাদের জন্য।

Also Read – সৌরভ-জয়ের জন্যও কোনো ছাড় দিল না ইংল্যান্ড

তিনি বলেন, ‘এক টানা কোয়ারেন্টিনে থাকার পর ক্রিকেটের বিভিন্ন ফরম্যাটের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে সেরাটা দেওয়া খুবই কঠিন। একইভাবে একটানা থাকতে ভালো না লাগলেও আমাদের মানিয়ে নিতে হয়। সেই সঙ্গে দেশের হয়ে ভালো পারফরম্যান্স করার প্রত্যাশার চাপটাও অনেক বেশি থাকে। সব মিলিয়ে মনের উপর চাপ বাড়ে।’

‘কিন্তু আমাদের পুরনো ব্যর্থতা ভুলে নতুন করে লড়াই শুরু করতে হয়। এভাবেই আমরা খেলে চলেছি। এখনও এভাবেই চলতে হবে। সতীর্থদের বলেছি, মানসিক দৃঢ়তা আরও বাড়ানোর জন্য।’

ক্রিকেটের বাইরেও একটা জীবন আছে ক্রিকেটারদের। বলয়ের ভেতরে থাকা অবস্থায় এসব ভাবনা আরও বেশি চিন্তাগ্রস্ত করে তুলতে পারে। কোহলি জানালেন, তার সতীর্থরা অবসাদে ভুগলে তা নিঃসংকোচে অবহিত করতে পারেন। একই কারণে খেলোয়াড়দের বিশ্রামের প্রয়োজনীয়তাও দেখছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘ক্রিকেটের জন্যই যে সবসময় সমস্যা আসে তা নয়, কারও ব্যক্তিগত সমস্যাও থাকতে পারে। টানা কয়েক মাসের সফরে বন্দি একঘেয়ে জীবনে মানসিক সমস্যা আসাটাই স্বাভাবিক। কারও এরকম কোনো সমস্যা হলে আমাকে বা রবিভাইকে (রবি শাস্ত্রী) জানাতে পারে। তাকে কিছু দিনের বিশ্রাম দেওয়া যেতেই পারে। এতে তারও কিছুটা সাহায্য হবে, পাশাপাশি ড্রেসিংরুমের পরিবেশও ঠিক থাকবে। কারণ একজনের মানসিক সমস্যার প্রভাব পুরো ড্রেসিংরুমের পরিবেশকেই নষ্ট করতে পারে।’

কোহলি নিজে অবশ্য ফুরফুরে মেজাজ নিয়েই যাচ্ছেন গুরুত্বপূর্ণ এই সফরে। তার ভাষায়, ‘আমি সম্পূর্ণ চাপমুক্ত হয়েই ইংল্য়ান্ডে যাচ্ছি। ভারতীয় ক্রিকেটকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। আগেও আমার ওপর কোনো চাপ ছিল না, এখনও নেই।’



Source link