প্রস্তাবিত বাজেট জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ: বিএনপি


স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ২০২১-২০২২ অর্থ বছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার (৪ জুন) দুপুরে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। প্রস্তাবিত বাজেটের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে এই সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘এই বাজেট বাংলাদেশের মানুষের যেই আশা-আকাঙ্ক্ষা, সেটা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে— এক কথায় এটাই বলব আরকি। ওই গরিব মারার বাজেট-টাজেট— এটা বলতে চাই না। আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।’

‘এই সরকারের জনগণের কাছে কোনো জবাবদিহিতা নাই, অ্যাকাউন্টিবিলিটি নাই। সেই জন্য সাধারণ মানুষ যারা আছে, যারা সংখ্যায় বেশি দিন আনে দিন খায়, তাদেরকে খুশি করার কোনো দরকার নেই। যাদেরকে খুশি করলে তাদের (সরকার) দুর্নীতিটা বহাল থাকবে, দুর্নীতি করতে পারবে ঠিক মতো, সেটাই তারা করেছেন। এটা তাদের যে চারিত্রি বৈশিষ্ট্য, সেই বৈশিষ্ট্য মতোই হয়েছে’— বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

প্রসঙ্গ খালেদা জিয়া:

এ বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ম্যাডামকে (খালেদা জিয়া) গতকাল বিকেলে একটা বিশেষ কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে। কারণটা হচ্ছে— ম্যাডাম যে সিসিইউতে ছিলেন, সেই সিসিইউতে তার কোভিড-১৯ পরবর্তী কতগুলো রি-অ্যাকশন হয়েছিল এবং আরেকটি রি-অ্যাকশন যেটা খুবই বিপদজনক ছিল। সেটা হচ্ছে তার রক্তে কিছুটা ইনফেকশন হয়েছিল, যেটাকে সিসটোসেনিয়া বলে।’

‘ডাক্তাররা অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে ইনফেকশনটাকে দূর করতে সক্ষম হয়েছেন। যেহেতু ওখানে (সিসিইউ) সংক্রমণের সম্ভবনা বেশি, আবারও সংক্রমণ হতে পারে, সেই কারণে তাকে (খালেদা জিয়া) উনারা (চিকিৎসক) বিশেষ কেবিনে স্থানন্তর করেছেন। তিনি একেবারে সুস্থ হয়ে গেছেন, তা নয় কিন্তু। তার হার্ট, কিডনি, লাংক (ফুসফুস)— এই তিনটা কিন্তু ঝুঁকির মধ্যে আছে। যদিও লাংকে এখন তার কোনো সংক্রমণ নেই বা সেই ধরনের কোনো ইনফেকশন নেই, কিন্তু হার্ট এখনো সমস্যার মধ্যে আছে। কিডনিতেও সমস্যা আছে’— বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

সারাবাংলা/এজেড





Source link