অস্ট্রেলিয়ায় এশিয়ানদের সুযোগ বৃদ্ধি করতে কাজ করছেন খাজা


অস্ট্রেলিয়ায় এশিয়ানদের সুযোগ বৃদ্ধি করতে কাজ করছেন খাজা

পাকিস্তানে জন্মগ্রহণকারী উসমান খাজা এখন খেলেন অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে। সিডনিতে বড় হওয়া এই ক্রিকেটার এখন ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ায় আরও বেশি দক্ষিণ এশিয়ান ক্রিকেটারকে সুযোগ করে দিতে কাজ করছেন। 

অস্ট্রেলিয়ায় এশিয়ানদের সুবিধা দিতে কাজ করছেন খাজা

২০১০-১১ মৌসুমের অ্যাশেজ সিরিজের শেষ ম্যাচটিতে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছিল উসমান খাজার। অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে খেলা প্রথম মুসলিম ক্রিকেটার তিনি। খাজার  শৈশবকালেই তার পরিবার পাকিস্তান থেকে সিডনিতে পাড়ি জমিয়েছিল। সিডনিতেই বেড়ে ওঠা ও ক্রিকেট শেখা এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের। সেখান থেকে অস্ট্রেলিয়াকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন জন্মগতভাবে এশিয়ান এই ক্রিকেটার।

Also Read – ১১ জুন হবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াই

কথায় বলে, নাড়ির টান ভোলা যায় না। খাজাও ভুলতে পারেননি। নিজে একজন দক্ষিণ এশিয়ান হয়ে অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব করার পরে এখন আরও দক্ষিণ এশিয়ান ক্রিকেটারদের এই পর্যায়ে সুযোগ করে দিতে চান তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে খাজা বলেন,

‘উপমহাদেশ থেকে আসা অনেক ক্রিকেটারকে এখন অস্ট্রেলিয়ার প্রদেশে ভিত্তিক দলগুলোতে খেলতে দেখি। আগে কিন্তু এমন দেখা যেত না। এমনকি আমি যখন খেলেছি, তখনও দেখিনি। আমার দলে তখন আমি একাই ছিলাম। সবমিলিয়ে মাত্র কয়েকজন ছিল।’

‘অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটে আমি নিজের সম্মানটা বুঝি। এখন উপমহাদেশ থেকে অনেক ক্রিকেটার উঠে আসছেন। আমার মনে হয় এখন তাদের মা-বাবারা বলেন যে ওই যে খাজা আছে ওখানে এবং বিগব্যাশে আরও বেশ কয়েকজন এশিয়ান খেলে। আমাদের বাচ্চারাও একদিন সেখানে খেলবে।’

‘আমি এখানকার অনেক এশিয়ান বাবা-মাদেরকে বলেছি তাদের বাচ্চাদের সমর্থন দিয়ে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে এগিয়ে দেওয়ার জন্য। হ্যা, এখানে পথটা এতো সহজ হবে না। কিন্তু এগিয়ে তো যেতে হবে। সবাই আপনার সাথে একমত হবে না। কিন্তু যখন আপনি সর্বোচ্চ পর্যায়ে যাবেন, তখন ভালো লাগবে। কিন্তু সমস্যা হলো, দেশি পরিবারের বাবা-মায়েরা পড়ালেখা এবং ডাক্তার কিংবা আইনজীবী হওয়াকেই বড় করে দেখেন।’

‘তারা বাচ্চাদের খেলতে দেয় না, কারণ তারা মনে করে ক্রিকেটে ভালো কোনো ভবিষ্যৎ নেই। কিন্তু আমি বলি, দেখুন বিশ্ব জুড়ে কত টি-টোয়েন্টি লিগ রয়েছে। অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটও এখন কত দূরে চলে গিয়েছে। ভালোভাবে জীবনযাপন করতে হলে আপনাকে কেবলই ডাক্তার কিংবা আইনজীবী হতে হবে না, ক্রিকেটার হয়েই আপনি খুব সুন্দর জীবন পেতে পারবেন।’



Source link