মুস্তাফিজের পাঁচ, বড় স্কোর হল না সাকিবদের


মুস্তাফিজের পাঁচ, বড় স্কোর হল না সাকিবদের

মুস্তাফিজের পাঁচ, বড় স্কোর হল না সাকিবদের

টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া মোহামেডানকে দারুণ সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান আর পারভেজ হোসেন ইমন।শুরু থেকেই দ্রুতগতিতে রান তুলে পাওয়ারপ্লে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেন মাহমুদুল ও ইমন। তাদের ২৭ বলে ৪০ রানের জুটি ভাঙেন নাহিদুল ইসলাম।  ৩ চার ও ১ ছক্কা মারা মাহমুদুল ২৩ রান করে নাহিদুলের বলে সুইপ করতে গিয়ে ক্যাচ দেন রনি তালুকদারের হাতে।

দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে হাল ধরেন ইমন ও শামসুর রহমান শুভ। শামসুর শুরু থেকে মন্থর থাকলেও অপর প্রান্তে রানের চাকা সচল রাখেন পারভেজ হোসেন ইমন। সুযোগ পেলেই চড়াও হতে থাকেন বোলারদের ওপর। নাঈম হাসানের করা ইনিংসের একাদশতম ওভারে ইমন হাঁকান দুই ছক্কা ও এক চার। ঐ ওভারে রান হয় ১৮। ৩৭ বলে ৫০ রান স্পর্শ করেন ইমন। তবে এরপর আর ইনিংস বড় করতে পারেননি। অর্ধশতক স্পর্শ করার পরের বলে ইমন অলক কাপালির শিকার হন। তার ইনিংসে ছিল ৩ চার আর ৪ ছক্কা।

Also Read – অস্ট্রেলিয়ায় বর্ণবাদী আচরণের শিকার হয়েছিলেন খাজা

এরপর অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে সাথে নিয়ে ৩৮ রান যোগ করেন শামসুর। শামসুর থিতু হতে সময় নিলেও ধীরে ধীরে খোলস থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেন। সাকিবও শুরু থেকেই দ্রুত রান তোলার চেষ্টায় নিয়োজিত হন। তবে ১৮ তম ওভারে এসে ৩ উইকেট নিয়ে মোহামেডানের ছন্দপতন ঘটান মুস্তাফিজ।

ওভারের দ্বিতীয় বলে ১৫ বলে ২০ রান করে সাকিব স্কুপ করতে গিয়ে বোল্ড হন। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে নেমে চার দিয়ে শুরু করা শুভাগত হোম পরের বলেই ফিরেন স্কয়ার লেগে থাকা নাঈম হাসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে। পরের বলে শামসুর রহমানকেও ফেরান মুস্তাফিজ। ২ চার ও ১ ছক্কা মারা শামসুর ৩৪ বলে ৩৩ রান করেন।

পরের ওভারে এসে আরেক বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম সাজঘরে ফেরান ইরফান শুক্কুরকে। ছয় রানের ব্যবধানে চার উইকেট হারায় মোহামেডান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
মোহামেডান ১৫০/৮, ২০ ওভার
ইমন ৫০, শামসুর ৩৪
মুস্তাফিজ ৫/২২



Source link