বাজেট প্রস্তাবনায় শ্রমজীবী মেহনতি নারীরা চরমভাবে উপেক্ষিত


স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: নতুন অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনায় শ্রমজীবী নারীরা চরমভাবে উপেক্ষিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে শ্রমজীবী নারী মৈত্রী। সংগঠনটি বলছে, শ্রমজীবী নারী জাতীয় অর্থনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখলেও বাজেটে তার কোনো প্রতিফলন নেই।

শনিবার (৫ জুন) সংগঠনের সভাপতি বহ্নিশিখা জামালী ও সাধারণ সম্পাদক রাশিদা বেগম এক যৌথ বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়।

বিবৃতিতে শ্রমজীবী নারী মৈত্রীর শীর্ষ দুই নেতা নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, করোনা মহামারিকালের এই বাজেটেও তেলের মাথায় তেল দেওয়ার পুরোন ধারা অব্যাহত রয়েছে। অর্থমন্ত্রীর বাজেট প্রস্তাবনায় নারীরা, বিশেষ করে শ্রমজীবী, মেহনতি নারীরা পুরোপুরি উপেক্ষিত হয়েছে।

তারা বলেন, যে ছয় কোটি মানুষ এখন দারিদ্র্যসীমার নিচে, তার বড় অংশই শ্রমজীবী মেহনতি নারী। সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় নারীদের জন্যে ছিটেফোঁটা বরাদ্দ করা হলেও দারিদ্র্যপীড়িত বিশাল অংশের জন্যে কোনো থোক বরাদ্দ নেই। অথচ দেশের মোট শ্রমশক্তির প্রায় ৪০ শতাংশ এখন নারী।

বহ্নিশিখা জামালী ও রাশিদা বেগম বলেন, করোনা দুর্যোগে গত দেড় বছরে লাখ লাখ নারীর কর্মসংস্থান নষ্ট হয়েছে। জীবিকা থেকে তারা উচ্ছেদ হয়েছেন। তাদের বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর কোনো মনোযোগ দেখা যায়নি। জাতীয় অর্থনীতিতে নারীদের অবদানের কোনো স্বীকৃতিও অর্থমন্ত্রীর বাজেট প্রস্তাবনায় নেই।

শ্রমজীবী নারী মৈত্রীর নেতারা বলেন, স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় আর্থিক অনটনের কারণে অসংখ্য মেয়ে শিক্ষাজীবন থেকে ঝরে পড়েছে। বাজেট প্রস্তাবনায় এসব শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের কাছে নগদ সাহায্য পৌঁছানোর মতো বরাদ্দের প্রয়োজন ছিল।

বিবৃতিতে নারী মৈত্রীর নেতারা স্যানিটারি ন্যাপকিনের ওপর থেকে ভ্যাট প্রত্যাহার এবং ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তাদের কর রেয়াত দেওয়ার প্রস্তাবকে স্বাগত জানান। তবে প্রস্তাবিত বাজেটকে ব্যবসায়ীবান্ধব অভিহিত করে এই বাজেট প্রত্যাহার করে জনকল্যাণে বাজেটকে পুরোপুরি ঢেলে সাজানো দাবিও জানান তারা।

সারাবাংলা/এএইচএইচ/টিআর





Source link