কোচের তালিকায় হেরাথের নাম প্রকাশ হওয়ায় বিব্রত বিসিবি


কোচের তালিকায় হেরাথের নাম প্রকাশ হওয়ায় বিব্রত বিসিবি

গুঞ্জন রটেছিল বাংলাদেশে স্পিন বোলিং কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে রঙ্গনা হেরাথকে। তবে বেতন নিয়ে বনিবনা না হওয়ায় আর আলোচনা এগোয়নি। এই খবর সংবাদমাধ্যমে আসায় বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

জালাল ইউনুস

বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং কোচ ও স্পিন বোলিং কোচ নিয়োগ দেওয়া নিয়ে চলছে নানান জল্পনা কল্পনা চলছে। সর্বশেষ ব্যাটিং কোচ জন লুইসের সাথেও আর চুক্তি নবায়ন করেনি বিসিবি। সামনে সিরিজ চলে আসলেও এখনো কোচ নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এই সম্পর্কে জালাল ইউনুস জানান,

‘কোচ নিতে হলে তো সেই মানের কোচ নিতে হবে। হঠাৎ করে তো একটা কোচকে নিয়ে নেওয়া যায় না। তার প্রোফাইল দেখে, বাংলাদেশ দলের সাথে সে মানিয়ে থাকতে পারবে কিনা, কতদিনের জন্য আসবে- অনেক কিছু দেখতে হয়। এগুলো সব মিলে যাওয়া পর্যন্ত একটা কোচ নিয়োগ দেওয়া কঠিন। এখন পর্যন্ত কেউ (কোচ) চূড়ান্ত হননি। স্পিন কোচও খোঁজা হচ্ছে, তবে হাতে এমন কেউ নেই যার নাম বলা এখন যাবে।’

Also Read – ‘তিনটি দল গঠন করার মতো খেলোয়াড় আমাদের নেই’

ব্যাটিং কোচ হিসেবে জেমি সিডন্স ও বোলিং কোচ হিসেবে রঙ্গনা হেরাথের নিয়োগের খবর শোনা গিয়েছিল। সিডন্সের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত না হলেও হেরাথ আসছেন না তা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। হেরাথের প্রসঙ্গে জালাল ইউনুস বলেন,

‘এখন আপনারা যেই নাম বলছেন (হেরাথ), এই নামটা বাইরে আসা উচিত ছিল না। কারণ তার সাথে আমাদের কোনো কিছুই নিশ্চিত হয়নি। চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত কারো নাম বের হওয়া উচিত না। এটা বোর্ডের জন্যও যেমন বিব্রতকর, সেই কোচের জন্যও বিব্রতকর। হওয়ার আগেই এটা সামনে চলে এসেছে, তবে এটা উচিত ছিল না।’

কোচের তালিকায় হেরাথের নাম প্রকাশ হওয়ায় বিব্রত বিসিবি
রঙ্গনা হেরাথ

হেরাথের ব্যাপারে বিডিক্রিকটাইমকে বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান বলেছিলেন, ‘হেরাথের প্রস্তাবে বোর্ড আগ্রহী নয়। কারণ বড় খেলোয়াড় হলেও তার কোচিংয়ের অভিজ্ঞতা নেই। আর ১২০ দিন নয়, বিসিবি সবসময় পাওয়া যাবে এমন কোচ খুঁজছে।’

চলতি মাসেই বিসিবির সভা অনুষ্ঠিত হবে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই দিনক্ষণ জানিয়ে দেওয়া হবে। সেখানে যেসব বিষয়ে আলোচনা হবে সেটাও মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল জানিয়েছেন,

বোর্ড সভা এই মাসেই হবে। এজেন্ডাগুলো তৈরি করা হচ্ছে, এইজন্য একটু সময় নেওয়া হচ্ছে। সামনের বোর্ড সভায় খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স, কেন্দ্রীয় চুক্তি, খেলোয়াড়দের ছুটি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা হবে। নির্বাচন নিয়ে বৈঠক হবে। তারপর শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম নিয়ে আলাপ-আলোচনা হবে। আর আর্থিক যেই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয় সেসব।’



Source link